গতির ঝড় তুললেন বোল্ট স্পোর্টস করেসপন্টেন্ড বছরের সেরা টাইমিং দিয়ে আবারো ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন অলিম্পিক স্বর্ণ বিজয়ী অ্যাথলেট উসাইন বোল্ট। শুক্রবার রোম ডায়মন্ড লিগে ৯.৭৬ সেকেন্ড সময় নেন এই জ্যামাইকান।
বিস্তারিত>http://wwwnewsdaily.blogspot.com/2012/06/blog-post_4227 html
শুক্রবার, ১ জুন, ২০১২
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: গতির ঝড় তুললেন বোল্ট স্পোর্টস করেসপন্টেন্ড বছরের সেরা টাইমিং দিয়ে আবারো ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন অলিম্পিক স্বর্ণ বিজয়ী অ্যাথলেট উসাইন বোল্ট। শুক্রবার রোম ডায়মন্ড লিগে ৯.৭৬ সেকেন্ড সময় নেন এই জ্যামাইকান।
গতির ঝড় তুললেন বোল্ট স্পোর্টস করেসপন্টেন্ড বছরের সেরা টাইমিং দিয়ে আবারো ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন অলিম্পিক স্বর্ণ বিজয়ী অ্যাথলেট উসাইন বোল্ট। শুক্রবার রোম ডায়মন্ড লিগে ৯.৭৬ সেকেন্ড সময় নেন এই জ্যামাইকান।
বছরের সেরা টাইমিং দিয়ে আবারো ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন অলিম্পিক স্বর্ণ বিজয়ী অ্যাথলেট উসাইন বোল্ট। শুক্রবার রোম ডায়মন্ড লিগে ৯.৭৬ সেকেন্ড সময় নেন এই জ্যামাইকান ।
অনেক দিন ধরেই সময় ভাল যাচ্ছিলো না বেইজিং অলিম্পিকে দ্যুতি ছড়ানো বোল্টের। গত শুক্রবারও বাজে পারফর্ম দেখিয়েছেন চেক রিপাবলিকের অস্ত্রাভাতে। সেখানে ১০.০৪ সেকেন্ড নেন বিশ্বরেকর্ডধারী এই অ্যাথলেট তারকা। তবে রোম ডায়মন্ড লিগে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে প্রতিযোগিতার রেকর্ড টাইমিং গড়ার মধ্যদিয়েই ফের নিজেকে মেলে ধরলেন ‘বিদ্যুতচমক’ খ্যাত বোল্ট।
প্রতিযোগিতায় ৯.৯১ সেকেন্ড সময় নিয়ে দ্বিতীয় হন বোল্টের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী অপর জ্যামাইকান তারকা আসাফা পাওয়েল। অন্যদিকে ১০.০৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে তৃতীয় হন ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন ক্রিস্তোফে লেমেত্রি।
অস্ত্রাভার বাজে স্মৃতিকে মন থেকে মুছে ফেলতে রোমে এসে একটু বেশিই ঘুমিয়েছিলেন বোল্ট। তিনি বলেন,‘রোমে আসার পর থেকেই আমি আগেভাগেই বিছানায় যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছি। যাতে করে ভালো বিশ্রাম ও প্রচুর ঘুম হয়। অস্ত্রাভাতে আমি ভাল ঘুমাতে পারিনি। সে কারণেই অস্ত্রাভার চেয়ে এখানে (রোম) ভাল দৌড়াতে পেরেছি।’
‘অস্ত্রাভাতে আমার বাজে পারফরমেন্সের পর অনেকেই আমার ফিরে আসার ব্যাপারে সন্দিহান হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু আমি কখনোই নিজের বিষয়ে সংশয়ে পড়িনি। নিজেকে নিয়ে সবসময়েই নির্ভার ছিলাম। যদিও এটি (রোম) আমার কাছে নিখুঁত মনে হয়নি। কিন্তু উন্নতি হয়েছে। আমি ভালোভাবেই দৌড় সম্পন্ন করতে পেরেছি। আমার গতি তুলনামূলক ভাল ছিল এবং শুরুটাও ভাল করতে পেরেছিলাম। ফর্মে ফিরতে পারায় ভাল লাগছে।’ বলেন অলিম্পিকে তিন স্বর্ণপদকজয়ী ২৫ বছরের এই অ্যাথলেট।
অনেক দিন ধরেই সময় ভাল যাচ্ছিলো না বেইজিং অলিম্পিকে দ্যুতি ছড়ানো বোল্টের। গত শুক্রবারও বাজে পারফর্ম দেখিয়েছেন চেক রিপাবলিকের অস্ত্রাভাতে। সেখানে ১০.০৪ সেকেন্ড নেন বিশ্বরেকর্ডধারী এই অ্যাথলেট তারকা। তবে রোম ডায়মন্ড লিগে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে প্রতিযোগিতার রেকর্ড টাইমিং গড়ার মধ্যদিয়েই ফের নিজেকে মেলে ধরলেন ‘বিদ্যুতচমক’ খ্যাত বোল্ট।
প্রতিযোগিতায় ৯.৯১ সেকেন্ড সময় নিয়ে দ্বিতীয় হন বোল্টের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী অপর জ্যামাইকান তারকা আসাফা পাওয়েল। অন্যদিকে ১০.০৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে তৃতীয় হন ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন ক্রিস্তোফে লেমেত্রি।
অস্ত্রাভার বাজে স্মৃতিকে মন থেকে মুছে ফেলতে রোমে এসে একটু বেশিই ঘুমিয়েছিলেন বোল্ট। তিনি বলেন,‘রোমে আসার পর থেকেই আমি আগেভাগেই বিছানায় যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছি। যাতে করে ভালো বিশ্রাম ও প্রচুর ঘুম হয়। অস্ত্রাভাতে আমি ভাল ঘুমাতে পারিনি। সে কারণেই অস্ত্রাভার চেয়ে এখানে (রোম) ভাল দৌড়াতে পেরেছি।’
‘অস্ত্রাভাতে আমার বাজে পারফরমেন্সের পর অনেকেই আমার ফিরে আসার ব্যাপারে সন্দিহান হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু আমি কখনোই নিজের বিষয়ে সংশয়ে পড়িনি। নিজেকে নিয়ে সবসময়েই নির্ভার ছিলাম। যদিও এটি (রোম) আমার কাছে নিখুঁত মনে হয়নি। কিন্তু উন্নতি হয়েছে। আমি ভালোভাবেই দৌড় সম্পন্ন করতে পেরেছি। আমার গতি তুলনামূলক ভাল ছিল এবং শুরুটাও ভাল করতে পেরেছিলাম। ফর্মে ফিরতে পারায় ভাল লাগছে।’ বলেন অলিম্পিকে তিন স্বর্ণপদকজয়ী ২৫ বছরের এই অ্যাথলেট।
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: প্রযুক্তি
|
পাওনা আদায়ে অফিস ভাংচুর, এমডি আটক
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: অপরাধ
পাওনা আদায়ের লক্ষ্যে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান স্কাই ল্যান্সারের অফিস ঘেরাও ও ভাংচুর করেছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা। পুলিশ প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) খলিলুর রহমান নীলকে আটক করেছে।
শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর কলাবাগান থানার ধানমণ্ডি রাসেল স্কয়ার সংলগ্ন ডলফিন রোডে এ ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া বেতন-ভাতা আদায়ের লক্ষ্যে স্কাই ল্যান্সারের প্রধান কার্যালয় ঘেরাও করেন। বিক্ষুব্ধ কর্মীরা একপর্যায়ে অফিসটিতে ভাংচুর চালান। খবর পেয়ে কলাবাগান থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ পরে প্রতিষ্ঠানটির এমডি খলিলুর রহমান নীলকে আটক করে কলাবাগান থানায় নিয়ে আসে। কর্মীরা পরে থানায় গিয়ে পাওনা আদায়ের লক্ষ্যে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
কলাবাগান থানার ওসি জানান, কোম্পানির এমডি খলিলুর রহমান নীলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। চেয়ারম্যানকে আটকে পুলিশি অভিযান চলছে। কর্মীরা এখনো থানায় আছেন। পুলিশ অভিযোগ শুনছে এবং এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পাওনা আদায়ের লক্ষ্যে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান স্কাই ল্যান্সারের অফিস ঘেরাও ও ভাংচুর করেছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা। পুলিশ প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) খলিলুর রহমান নীলকে আটক করেছে।
শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর কলাবাগান থানার ধানমণ্ডি রাসেল স্কয়ার সংলগ্ন ডলফিন রোডে এ ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া বেতন-ভাতা আদায়ের লক্ষ্যে স্কাই ল্যান্সারের প্রধান কার্যালয় ঘেরাও করেন। বিক্ষুব্ধ কর্মীরা একপর্যায়ে অফিসটিতে ভাংচুর চালান। খবর পেয়ে কলাবাগান থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ পরে প্রতিষ্ঠানটির এমডি খলিলুর রহমান নীলকে আটক করে কলাবাগান থানায় নিয়ে আসে। কর্মীরা পরে থানায় গিয়ে পাওনা আদায়ের লক্ষ্যে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
কলাবাগান থানার ওসি জানান, কোম্পানির এমডি খলিলুর রহমান নীলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। চেয়ারম্যানকে আটকে পুলিশি অভিযান চলছে। কর্মীরা এখনো থানায় আছেন। পুলিশ অভিযোগ শুনছে এবং এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
হাতিয়ায় জলদস্যু সর্দার বোরহান শিকদার গ্রেফতার
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: অপরাধ
নোয়াখালীর হাতিয়ার মেঘনা উপকূলের জলদস্যু সর্দার ও ডজন দুই ডাকাতি আর খুনের মামলার আসামি বোরহান শিকদারকে (৩৩) বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গ্রেফতার করেছে হাতিয়া থানা পুলিশ।
উপজেলার নঙ্গীয়ার চরের দরবেশ বাজারে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তার হোসেন বাংলানিউজকে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গভীর রাতে একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে বোরহানকে গ্রেফতার করা হয়। তবে গ্রেফতারের সময় তার কাছে কোন অস্ত্র পাওয়া যায়নি।
জলদস্যু বোরহান শিকদারের বিরুদ্ধে হাতিয়া, সুবর্ণচর, ভোলাসহ বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, খুনসহ ২০-২৫টি মামলা রয়েছে।
হাতিয়ায় সিক্স মার্ডার ও সেভেন মার্ডারসহ ৪টি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি বোরহান।
তিনি সুবর্ণচর (চরজব্বর) উপজেলার মৃত মফিজ দরবেশের ছেলে।
এদিকে ডাকাত ও জলদস্যু বোরহান শিকদারের গ্রেফতার হওয়ার খবর শুনে স্থানীয় নঙ্গলীয়ার চরের শত শত ভূমিহীন মানুষ আনন্দ মিছিল করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
নোয়াখালীর হাতিয়ার মেঘনা উপকূলের জলদস্যু সর্দার ও ডজন দুই ডাকাতি আর খুনের মামলার আসামি বোরহান শিকদারকে (৩৩) বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গ্রেফতার করেছে হাতিয়া থানা পুলিশ।
উপজেলার নঙ্গীয়ার চরের দরবেশ বাজারে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তার হোসেন বাংলানিউজকে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গভীর রাতে একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে বোরহানকে গ্রেফতার করা হয়। তবে গ্রেফতারের সময় তার কাছে কোন অস্ত্র পাওয়া যায়নি।
জলদস্যু বোরহান শিকদারের বিরুদ্ধে হাতিয়া, সুবর্ণচর, ভোলাসহ বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, খুনসহ ২০-২৫টি মামলা রয়েছে।
হাতিয়ায় সিক্স মার্ডার ও সেভেন মার্ডারসহ ৪টি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি বোরহান।
তিনি সুবর্ণচর (চরজব্বর) উপজেলার মৃত মফিজ দরবেশের ছেলে।
এদিকে ডাকাত ও জলদস্যু বোরহান শিকদারের গ্রেফতার হওয়ার খবর শুনে স্থানীয় নঙ্গলীয়ার চরের শত শত ভূমিহীন মানুষ আনন্দ মিছিল করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
আমি মুজিব বলছি ( 14 )লেখেছেন Harun Rashid
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: না বলা কথা
আমি মুজিব বলছি ( 14 )
আমি মুজিব বলছি ( 14 )
পাকিস্তান ভাঙ্গার অভিযোগে আমাকে গ্রেপ্তার করে করে নিয়ে যাওয়া পাকিস্তান কারাগারে । আমি আগেই বলেছি আমার কবরের উপর সৃষ্টি হবে বাংলাদেশ পৃথিবীর এমন কোন শক্তি নাই তা প্রতিরোধ করতে পারে । ৭কোটি মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ ,তাই স্বাধীন রাষ্ট্র এখন ময়ের ব্যপার মাত্র ।আমি পাকিস্তানী সৈর শাসকদের বলেছি , আমাকে হত্যা করা হলে আমার মরদেহটি বাঙ্গালীজাতির কাছে তুলে দিও । আমি গ্রেপ্তার পুর্বে গভীর রাতে জাতির উদ্দ্যেশে স্বাধীনতার ঘোষনা প্রচারের জন্য টি এন্ড টির টেলেক্স ও বিি আরের বেতার যন্র ব্যবহার করি । স্বাধীনতার ঘোষনা ঃ
" এটাই হয়তো আমার শেষ বার্তা । আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন ।
বাংলাদেশের মানুষ যে যেখানে আছেন ,আপনাদের যা কিছু আছে তা দিয়ে সেনাবাহীনির দখলদারির মোকাবোলা করার জন্য আমি আহবান জানাচ্ছি । পাকিস্তানী দখলদার বাহিনীর শেষ সৈন্যটি কে বাংলার মাটি থেকে করা এবং চুড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আপনাদেরকে সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে ।
গুম ও মানবাধিকার
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: না বলা কথা

বাংলাদেশে সাম্প্রতিককালে জোরপূর্বক নিরুদ্দেশকরণ তথা গুমের ঘটনা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসেবে ২০১২ সালেই এ পর্যন্ত প্রায় ২২ জন গুম হয়েছেন। আরেকটি মানবাধিকার সংস্থা অধিকার-এর হিসাবমতে ২০১০ থেকে এ পর্যন্ত নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৫০।
গুম শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ বাংলা একাডেমীর বাংলা-ইংরেজি অভিধানে লেখা আছে-Carried off, concealed, kidnapped, carried away and confined unlawfully and with a motive। ইংরেজি যে প্রতিশব্দ দেওয়া হয়েছে সে প্রতিশব্দের সাথে ব্যবহারিক শব্দের বেশ ফারাক। গুমের একটি ইংরেজি অনুবাদ করা হয়েছে কিডন্যাপ বা অপহরণ। কিন্তু, কিডন্যাপিং বাংলাদেশের আইনে ভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
জাতিসংঘের একটি কনভেনশন আছে-International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance-বাংলা করলে যার মানে দাঁড়াবে-জোরপূর্বক মানব-গুমের বিরুদ্ধে সুরক্ষা কনভেনশন। এই কনভেনশনে স্বাক্ষরদানকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের নাম নেই।
মানব-গুমের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে কনভেনশনে এভাবে, ”রাষ্ট্র অথবা রাষ্ট্র কর্তৃক নিযুক্ত এজেন্ট, গোষ্ঠী বা রাষ্ট্রীয় অনুমোদনে/সম্মতিক্রমে সংগঠিত গ্রেপ্তার, আটকাদেশ, অপহরণ বা অন্য কোনো ধরনের অধিকারহরণ যার মধ্যে আটকাবস্থার কথা অস্বীকার, সর্বশেষ অবস্থান বা ভাগ্য সম্পর্কে জানতে না দেওয়া, যার মাধ্যমে আইনের আশ্রয়লাভ থেকে বঞ্চিত করা হয়।”
ইংরেজি abduction শব্দের বাংলা অপবাহন। কারণ, অপহরণ (kidnapping) এবং অপবাহনের (abduction) মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। অপবাহনের সংজ্ঞা দণ্ডবিধিতে দেওয়া হয়েছে এভাবে-”যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে কোন স্থান হতে গমন করার জন্য জোরপূর্বক বাধ্য করে বা কোন প্রতারণামূলক উপায়ে প্রলুদ্ধ করে, সে ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তিকে অপবাহন (abduction) করে বলে গণ্য হবে। অপহরণের ক্ষেত্রে যেখানে হরণকৃত নাবালক অথবা অপ্রকৃতস্থ ব্যক্তিকে শুধুমাত্র হরণকারীর সাথে নিয়ে যাওয়া হয় অথবা যেতে প্ররোচিত করা হয়। কিন্তুু অপবাহনের ক্ষেত্রে প্রতারণা, ভয় এবং বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়।
যেহেতু জোরপূর্বক মানব-গুমের বিরুদ্ধে সুরক্ষা কনভেনশনে বাংলাদেশ এখনও স্বাক্ষর করেনি, সেহেতু বাংলাদেশের উপর এই কনভেনশন মানার বাধ্যবাধকতা নেই। কনভেনশনের ৪ নম্বর অনুচ্ছেদে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে গুমকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
মানব-গুমের এই প্রবণতা বজায় থাকলে বাংলাদেশের জন্য এই কনভেনশনে স্বাক্ষর করা জরুরি হয়ে দাঁড়াবে।জোরপূর্বক মানব-গুম একটি জঘন্য অপরাধ যা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বলে গণ্য হতে পারে।
জোরপূর্বক মানব-গুমের বিরুদ্ধে সুরক্ষা কনভেনশনের ৫ নং অনুচ্ছেদে গুমকে আন্তর্জাতিক আইনে বিচারযোগ্য মানবতাবিরোধী অপরাধ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ কখনও এই কনভেনশনে স্বাক্ষর করলে গুমের সাথে জড়িতদের বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিচারের মুখোমুখি হতে পারে।
আমি কারে ধরে কাঁদবো রে মা!
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: না বলা কথা
শরিয়তপুর সখীপুর আরশীনগর থেকে: আরশীনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন সরদার কাঁদছেন অথচ চোখ থেকে জল পড়ছে না। কান্নার রং কি তা ভুলে গেছে তিনি। চোখের পাতা ফোলা। যেনো রক্ত জমাট বেঁধেছে তার দু`চোখে। বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। টানা দু’দিন অবিরাম কেঁদে চোখের সব জল যেনো শুকিয়ে গেছে আরশিনগরের চেয়ারম্যানের! তবে জল শুকিয়ে গেলেও তার চিহ্ন রয়ে গেছে জাকির চেয়ারম্যানের চোখে মুখে।
শুক্রবার সরেজমিন বাংলানিউজের ফটো সাংবাদিক নাজমুল হাসান ও বাংলানিউজের শরিয়তপুর জেলা প্রতিনিধি শহিদুজ্জামানকে সঙ্গে নিয়ে সখীপুর থানার আরশীনগর গ্রামে পা রাখতেই দেখা গেছে শোকের মাতম।
চেয়ারম্যানের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, পরিবারের ১১ জনকে হারিয়ে যেনো বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন চেয়ারম্যান জাকির সরদার। যাকে দেখছেন, শুধু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকছেন। কখনো জোরে চিৎকার দিয়ে বুক চাপড়াচ্ছেন। আর আহাজারি করে বলছেন, ‘১১ লাশের শোক আমি কীভাবে সইবো রে আল্লাহ!’
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত একমাত্র আদরের মেয়ে লুমাইসা লুবারের (১৩) উদ্দেশ্যে কাঁদতে কাঁদতে বলছেন, ‘কবর থেকে উঠে আয় রে মা! মারে আমি তোরে ধইরা একটু কাঁদতে চাই। আমার বুকের মানিক আমার বুকে আয়... বুকে আয় লুবাব...। আমারে শক্ত কইরা ধইরা আমার বুকে মাথাটা রাখ। আমি আর সইতে পারছি নারে মা! আমি কারে ধরে কাঁদবো রে মা!’
ঝড়-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে শুক্রবার সকালে আরশিনগরের চেয়ারম্যান বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সমবেদনা জানাতে ভিড় করছেন আত্মীয়স্বজন, পাড়া প্রতিবেশী আর আশপাশের গ্রামের মানুষ। সেখানে জাকির সরদারের দিকে তাকিয়ে চোখের জল মোছেননি, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাসহ স্থানীয় জনসাধারণ জাকির চেয়ারম্যানকে দেখতে আসছেন। তবে কেউ সান্ত্বনা দেওয়ার সাহস করছেন না।
কীভাবে সান্ত্বনা দেবেন আরশিনগরের সবার প্রিয় মানুষ ও জনগণের সেবক হিসেবে পরিচিত জাকির চেয়ারম্যানকে। সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষাও যেনো সবাই হারিয়ে ফেলেছেন।
বাংলানিউজের প্রতিবেদকের হাত ধরে চিৎকার দিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ‘ভাই রে আমি আর শোক সইতে পারছি না। আমার নিজে শেষ করে দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।’
এ সময় জাকির চেয়ারম্যান ওপরে দু’হাত তুলে বলেন, ‘আল্লাহ আমি আত্মহত্যা না করলে আমি আর বাঁচতে পারবো না। আমারে তুমি ক্ষমা করে দিও। আমার এ ছাড়া আর কোনো পথ নেই। কি নিয়ে বাঁচবো আমি...।’
এ সময় উপস্থিত অনেকেই চোখের জল মোছেন।
তিনি সরকারের প্রতি, যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আর কত লাশ হলে সরকারের কানে যাবে, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে।’
বুক চাপড়ে বলেন, ‘এত দাবি, এত মানববন্ধন এত লেখালেখি তারপরও কি সরকারের কানে এসব যায় না।’
ভেদরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আবদুল মান্নান হাওলাদার বাংলানিউজকে বলেন, ‘পরিবারের সবাইকে যে হারিয়েছে, তাকে কীভাবে সান্ত্বনা দেবো? স্ত্রী, মেয়ে, বোন, ভগ্নিপতি, ভাগ্নে ও ভাগ্নি সব হারানো একটা মানুষকে সান্ত্বনা দেওয়ার তো কোনো ভাষা থাকে না।’
জাকির হোসেন সর্দারের ভাই অ্যাডভোকেট এসএম শাহজাহানের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শরিয়তপুরের ইতিহাসে সড়ক দুর্ঘটনায় এক পরিবারের ১১ জন মারা যায়নি।’
উল্লেখ্য, রাজধানীর অদূরে বুধবার কেরানীগঞ্জের কদমপুর এলাকায় ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন। সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার সরেজমিন বাংলানিউজের ফটো সাংবাদিক নাজমুল হাসান ও বাংলানিউজের শরিয়তপুর জেলা প্রতিনিধি শহিদুজ্জামানকে সঙ্গে নিয়ে সখীপুর থানার আরশীনগর গ্রামে পা রাখতেই দেখা গেছে শোকের মাতম।
চেয়ারম্যানের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, পরিবারের ১১ জনকে হারিয়ে যেনো বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন চেয়ারম্যান জাকির সরদার। যাকে দেখছেন, শুধু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকছেন। কখনো জোরে চিৎকার দিয়ে বুক চাপড়াচ্ছেন। আর আহাজারি করে বলছেন, ‘১১ লাশের শোক আমি কীভাবে সইবো রে আল্লাহ!’
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত একমাত্র আদরের মেয়ে লুমাইসা লুবারের (১৩) উদ্দেশ্যে কাঁদতে কাঁদতে বলছেন, ‘কবর থেকে উঠে আয় রে মা! মারে আমি তোরে ধইরা একটু কাঁদতে চাই। আমার বুকের মানিক আমার বুকে আয়... বুকে আয় লুবাব...। আমারে শক্ত কইরা ধইরা আমার বুকে মাথাটা রাখ। আমি আর সইতে পারছি নারে মা! আমি কারে ধরে কাঁদবো রে মা!’
ঝড়-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে শুক্রবার সকালে আরশিনগরের চেয়ারম্যান বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সমবেদনা জানাতে ভিড় করছেন আত্মীয়স্বজন, পাড়া প্রতিবেশী আর আশপাশের গ্রামের মানুষ। সেখানে জাকির সরদারের দিকে তাকিয়ে চোখের জল মোছেননি, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাসহ স্থানীয় জনসাধারণ জাকির চেয়ারম্যানকে দেখতে আসছেন। তবে কেউ সান্ত্বনা দেওয়ার সাহস করছেন না।
কীভাবে সান্ত্বনা দেবেন আরশিনগরের সবার প্রিয় মানুষ ও জনগণের সেবক হিসেবে পরিচিত জাকির চেয়ারম্যানকে। সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষাও যেনো সবাই হারিয়ে ফেলেছেন।
বাংলানিউজের প্রতিবেদকের হাত ধরে চিৎকার দিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ‘ভাই রে আমি আর শোক সইতে পারছি না। আমার নিজে শেষ করে দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।’
এ সময় জাকির চেয়ারম্যান ওপরে দু’হাত তুলে বলেন, ‘আল্লাহ আমি আত্মহত্যা না করলে আমি আর বাঁচতে পারবো না। আমারে তুমি ক্ষমা করে দিও। আমার এ ছাড়া আর কোনো পথ নেই। কি নিয়ে বাঁচবো আমি...।’
এ সময় উপস্থিত অনেকেই চোখের জল মোছেন।
তিনি সরকারের প্রতি, যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আর কত লাশ হলে সরকারের কানে যাবে, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে।’
বুক চাপড়ে বলেন, ‘এত দাবি, এত মানববন্ধন এত লেখালেখি তারপরও কি সরকারের কানে এসব যায় না।’
ভেদরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আবদুল মান্নান হাওলাদার বাংলানিউজকে বলেন, ‘পরিবারের সবাইকে যে হারিয়েছে, তাকে কীভাবে সান্ত্বনা দেবো? স্ত্রী, মেয়ে, বোন, ভগ্নিপতি, ভাগ্নে ও ভাগ্নি সব হারানো একটা মানুষকে সান্ত্বনা দেওয়ার তো কোনো ভাষা থাকে না।’
জাকির হোসেন সর্দারের ভাই অ্যাডভোকেট এসএম শাহজাহানের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শরিয়তপুরের ইতিহাসে সড়ক দুর্ঘটনায় এক পরিবারের ১১ জন মারা যায়নি।’
উল্লেখ্য, রাজধানীর অদূরে বুধবার কেরানীগঞ্জের কদমপুর এলাকায় ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন। সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিদের সবাই মাইক্রোবাসের যাত্রী। তাদের মধ্যে দশজন শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখীপুর থানার আরশিনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির সর্দারের পরিবারের সদস্য। বাকি দুজন গৃহকর্মী ও গাড়িচালক। নিহতরা হলেন: ইউপি চেয়ারম্যান জাকির সর্দারের স্ত্রী বেবী সর্দার (৪৪), মেয়ে নবম শ্রেণীর ছাত্রী লুমাইসা লুবার (১৩), জাকিরের বড় বোন ফেরদৌসী বেগম (৪৭) ও তার ছেলে সায়েম হাসান (১৫), জাকিরের ছোট বোন রোজিন (৩৩) ও তার স্বামী সাউথইস্ট ব্যাংক মতিঝিল শাখার কর্মকর্তা রেজাউল আমিন (৩৮), তাদের ছেলে ইয়াশ (৮) ও মেয়ে ইশরা (২), জাকিরের মেজো বোন ফাতেমার মেয়ে তাজরিয়া (১২), গৃহকর্মী কোহিনূর (১৫) ও খুশি (১৪) এবং গাড়িচালক সোহেল রানা (৩৫)।
আমি কারে ধরে কাঁদবো রে মা!
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: না বলা কথা
শরিয়তপুর সখীপুর আরশীনগর থেকে: আরশীনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন সরদার কাঁদছেন অথচ চোখ থেকে জল পড়ছে না। কান্নার রং কি তা ভুলে গেছে তিনি। চোখের পাতা ফোলা। যেনো রক্ত জমাট বেঁধেছে তার দু`চোখে। বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। টানা দু’দিন অবিরাম কেঁদে চোখের সব জল যেনো শুকিয়ে গেছে আরশিনগরের চেয়ারম্যানের! তবে জল শুকিয়ে গেলেও তার চিহ্ন রয়ে গেছে জাকির চেয়ারম্যানের চোখে মুখে।
শুক্রবার সরেজমিন বাংলানিউজের ফটো সাংবাদিক নাজমুল হাসান ও বাংলানিউজের শরিয়তপুর জেলা প্রতিনিধি শহিদুজ্জামানকে সঙ্গে নিয়ে সখীপুর থানার আরশীনগর গ্রামে পা রাখতেই দেখা গেছে শোকের মাতম।
চেয়ারম্যানের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, পরিবারের ১১ জনকে হারিয়ে যেনো বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন চেয়ারম্যান জাকির সরদার। যাকে দেখছেন, শুধু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকছেন। কখনো জোরে চিৎকার দিয়ে বুক চাপড়াচ্ছেন। আর আহাজারি করে বলছেন, ‘১১ লাশের শোক আমি কীভাবে সইবো রে আল্লাহ!’
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত একমাত্র আদরের মেয়ে লুমাইসা লুবারের (১৩) উদ্দেশ্যে কাঁদতে কাঁদতে বলছেন, ‘কবর থেকে উঠে আয় রে মা! মারে আমি তোরে ধইরা একটু কাঁদতে চাই। আমার বুকের মানিক আমার বুকে আয়... বুকে আয় লুবাব...। আমারে শক্ত কইরা ধইরা আমার বুকে মাথাটা রাখ। আমি আর সইতে পারছি নারে মা! আমি কারে ধরে কাঁদবো রে মা!’
ঝড়-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে শুক্রবার সকালে আরশিনগরের চেয়ারম্যান বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সমবেদনা জানাতে ভিড় করছেন আত্মীয়স্বজন, পাড়া প্রতিবেশী আর আশপাশের গ্রামের মানুষ। সেখানে জাকির সরদারের দিকে তাকিয়ে চোখের জল মোছেননি, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাসহ স্থানীয় জনসাধারণ জাকির চেয়ারম্যানকে দেখতে আসছেন। তবে কেউ সান্ত্বনা দেওয়ার সাহস করছেন না।
কীভাবে সান্ত্বনা দেবেন আরশিনগরের সবার প্রিয় মানুষ ও জনগণের সেবক হিসেবে পরিচিত জাকির চেয়ারম্যানকে। সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষাও যেনো সবাই হারিয়ে ফেলেছেন।
বাংলানিউজের প্রতিবেদকের হাত ধরে চিৎকার দিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ‘ভাই রে আমি আর শোক সইতে পারছি না। আমার নিজে শেষ করে দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।’
এ সময় জাকির চেয়ারম্যান ওপরে দু’হাত তুলে বলেন, ‘আল্লাহ আমি আত্মহত্যা না করলে আমি আর বাঁচতে পারবো না। আমারে তুমি ক্ষমা করে দিও। আমার এ ছাড়া আর কোনো পথ নেই। কি নিয়ে বাঁচবো আমি...।’
এ সময় উপস্থিত অনেকেই চোখের জল মোছেন।
তিনি সরকারের প্রতি, যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আর কত লাশ হলে সরকারের কানে যাবে, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে।’
বুক চাপড়ে বলেন, ‘এত দাবি, এত মানববন্ধন এত লেখালেখি তারপরও কি সরকারের কানে এসব যায় না।’
ভেদরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আবদুল মান্নান হাওলাদার বাংলানিউজকে বলেন, ‘পরিবারের সবাইকে যে হারিয়েছে, তাকে কীভাবে সান্ত্বনা দেবো? স্ত্রী, মেয়ে, বোন, ভগ্নিপতি, ভাগ্নে ও ভাগ্নি সব হারানো একটা মানুষকে সান্ত্বনা দেওয়ার তো কোনো ভাষা থাকে না।’
জাকির হোসেন সর্দারের ভাই অ্যাডভোকেট এসএম শাহজাহানের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শরিয়তপুরের ইতিহাসে সড়ক দুর্ঘটনায় এক পরিবারের ১১ জন মারা যায়নি।’
উল্লেখ্য, রাজধানীর অদূরে বুধবার কেরানীগঞ্জের কদমপুর এলাকায় ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন। সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার সরেজমিন বাংলানিউজের ফটো সাংবাদিক নাজমুল হাসান ও বাংলানিউজের শরিয়তপুর জেলা প্রতিনিধি শহিদুজ্জামানকে সঙ্গে নিয়ে সখীপুর থানার আরশীনগর গ্রামে পা রাখতেই দেখা গেছে শোকের মাতম।
চেয়ারম্যানের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, পরিবারের ১১ জনকে হারিয়ে যেনো বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন চেয়ারম্যান জাকির সরদার। যাকে দেখছেন, শুধু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকছেন। কখনো জোরে চিৎকার দিয়ে বুক চাপড়াচ্ছেন। আর আহাজারি করে বলছেন, ‘১১ লাশের শোক আমি কীভাবে সইবো রে আল্লাহ!’
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত একমাত্র আদরের মেয়ে লুমাইসা লুবারের (১৩) উদ্দেশ্যে কাঁদতে কাঁদতে বলছেন, ‘কবর থেকে উঠে আয় রে মা! মারে আমি তোরে ধইরা একটু কাঁদতে চাই। আমার বুকের মানিক আমার বুকে আয়... বুকে আয় লুবাব...। আমারে শক্ত কইরা ধইরা আমার বুকে মাথাটা রাখ। আমি আর সইতে পারছি নারে মা! আমি কারে ধরে কাঁদবো রে মা!’
ঝড়-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে শুক্রবার সকালে আরশিনগরের চেয়ারম্যান বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সমবেদনা জানাতে ভিড় করছেন আত্মীয়স্বজন, পাড়া প্রতিবেশী আর আশপাশের গ্রামের মানুষ। সেখানে জাকির সরদারের দিকে তাকিয়ে চোখের জল মোছেননি, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাসহ স্থানীয় জনসাধারণ জাকির চেয়ারম্যানকে দেখতে আসছেন। তবে কেউ সান্ত্বনা দেওয়ার সাহস করছেন না।
কীভাবে সান্ত্বনা দেবেন আরশিনগরের সবার প্রিয় মানুষ ও জনগণের সেবক হিসেবে পরিচিত জাকির চেয়ারম্যানকে। সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষাও যেনো সবাই হারিয়ে ফেলেছেন।
বাংলানিউজের প্রতিবেদকের হাত ধরে চিৎকার দিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ‘ভাই রে আমি আর শোক সইতে পারছি না। আমার নিজে শেষ করে দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।’
এ সময় জাকির চেয়ারম্যান ওপরে দু’হাত তুলে বলেন, ‘আল্লাহ আমি আত্মহত্যা না করলে আমি আর বাঁচতে পারবো না। আমারে তুমি ক্ষমা করে দিও। আমার এ ছাড়া আর কোনো পথ নেই। কি নিয়ে বাঁচবো আমি...।’
এ সময় উপস্থিত অনেকেই চোখের জল মোছেন।
তিনি সরকারের প্রতি, যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আর কত লাশ হলে সরকারের কানে যাবে, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে।’
বুক চাপড়ে বলেন, ‘এত দাবি, এত মানববন্ধন এত লেখালেখি তারপরও কি সরকারের কানে এসব যায় না।’
ভেদরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আবদুল মান্নান হাওলাদার বাংলানিউজকে বলেন, ‘পরিবারের সবাইকে যে হারিয়েছে, তাকে কীভাবে সান্ত্বনা দেবো? স্ত্রী, মেয়ে, বোন, ভগ্নিপতি, ভাগ্নে ও ভাগ্নি সব হারানো একটা মানুষকে সান্ত্বনা দেওয়ার তো কোনো ভাষা থাকে না।’
জাকির হোসেন সর্দারের ভাই অ্যাডভোকেট এসএম শাহজাহানের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শরিয়তপুরের ইতিহাসে সড়ক দুর্ঘটনায় এক পরিবারের ১১ জন মারা যায়নি।’
উল্লেখ্য, রাজধানীর অদূরে বুধবার কেরানীগঞ্জের কদমপুর এলাকায় ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন। সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিদের সবাই মাইক্রোবাসের যাত্রী। তাদের মধ্যে দশজন শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখীপুর থানার আরশিনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির সর্দারের পরিবারের সদস্য। বাকি দুজন গৃহকর্মী ও গাড়িচালক। নিহতরা হলেন: ইউপি চেয়ারম্যান জাকির সর্দারের স্ত্রী বেবী সর্দার (৪৪), মেয়ে নবম শ্রেণীর ছাত্রী লুমাইসা লুবার (১৩), জাকিরের বড় বোন ফেরদৌসী বেগম (৪৭) ও তার ছেলে সায়েম হাসান (১৫), জাকিরের ছোট বোন রোজিন (৩৩) ও তার স্বামী সাউথইস্ট ব্যাংক মতিঝিল শাখার কর্মকর্তা রেজাউল আমিন (৩৮), তাদের ছেলে ইয়াশ (৮) ও মেয়ে ইশরা (২), জাকিরের মেজো বোন ফাতেমার মেয়ে তাজরিয়া (১২), গৃহকর্মী কোহিনূর (১৫) ও খুশি (১৪) এবং গাড়িচালক সোহেল রানা (৩৫)।
সাংবাদিকদের সহযোগিতা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, নির্যাতনে দুঃখ প্রকাশ
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: রাজনীতি
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এমপি সাম্প্রতিককালে পুলিশের হাতে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি কাজের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
শুক্রবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ‘মিট দ্যা রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, নির্যাতনের ঘটনায় আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। এসব ঘটনায় দোষী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলে আরো ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড ও বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর নিখোঁজের ঘটনা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব ঘটনায় তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা যাবে না।
‘সাগর-রুনির খুনিদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হবে’ এ কথা তিনি বলেননি দাবি করে সাহারা খাতুন বলেন, ‘আমি শুধু পুলিশকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছিলাম। এটা পুলিশকে চাপ দেওয়ার জন্য বলেছিলাম। কিন্তু আমি কখনোই বলিনি যে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেফতার করা হবে।’
পুলিশ থেকে দূরে থেকে সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের প্রতি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পরামর্শ প্রদান প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তার কাছে বলেছেন, তিনি এ ধরনের কথা বলেননি। তার বক্তব্যকে বিকৃত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সেদিনের বক্তব্যের ভিডিও ক্লিপিংস দেখিয়ে এটি পরীক্ষা করতে বলেছেন বলেও জানান সাহারা খাতুন।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য বিকৃতভাবে প্রকাশ করার অভিযোগ করে সাহারা খাতুন আশঙ্কা করেন, ‘হতে পারে, প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে এমন বক্তব্য প্রকাশ সরকারের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র।’
তবে তিনি এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকেই এ বিষয়ে সরাসরি প্রশ্ন করতেও আহ্বান জানান।
বিচার বহির্ভুত হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন, সন্ত্রাসীদের ধরতে গেলে যদি সন্ত্রাসীরা পুলিশ- ৠাবের দিকে গুলি ছোড়ে, তাহলে তারা কি করবে?
শুক্রবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ‘মিট দ্যা রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, নির্যাতনের ঘটনায় আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। এসব ঘটনায় দোষী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলে আরো ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড ও বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর নিখোঁজের ঘটনা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব ঘটনায় তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা যাবে না।
‘সাগর-রুনির খুনিদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হবে’ এ কথা তিনি বলেননি দাবি করে সাহারা খাতুন বলেন, ‘আমি শুধু পুলিশকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছিলাম। এটা পুলিশকে চাপ দেওয়ার জন্য বলেছিলাম। কিন্তু আমি কখনোই বলিনি যে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেফতার করা হবে।’
পুলিশ থেকে দূরে থেকে সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের প্রতি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পরামর্শ প্রদান প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তার কাছে বলেছেন, তিনি এ ধরনের কথা বলেননি। তার বক্তব্যকে বিকৃত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সেদিনের বক্তব্যের ভিডিও ক্লিপিংস দেখিয়ে এটি পরীক্ষা করতে বলেছেন বলেও জানান সাহারা খাতুন।
স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য বিকৃতভাবে প্রকাশ করার অভিযোগ করে সাহারা খাতুন আশঙ্কা করেন, ‘হতে পারে, প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে এমন বক্তব্য প্রকাশ সরকারের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র।’
তবে তিনি এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকেই এ বিষয়ে সরাসরি প্রশ্ন করতেও আহ্বান জানান।
বিচার বহির্ভুত হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন, সন্ত্রাসীদের ধরতে গেলে যদি সন্ত্রাসীরা পুলিশ- ৠাবের দিকে গুলি ছোড়ে, তাহলে তারা কি করবে?
তিনি বলেন, ‘আপনারা কি চান, আমরা সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার না করি?’
সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়ে পুলিশ নিজেদের জীবন বাঁচাতে সন্ত্রাসীদের ওপর গুলি চালায় বলে দাবি করে সাহারা খাতুন আরো বলেন, ‘দেশের সন্ত্রাসীরা সাধারণ মানুষকে ধরে নিয়ে হত্যা করছে। দস্যুরা নিরীহ জেলেদের আটকে রেখে চাঁদা দাবি করছে, হত্যা করছে। আর তাদের গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশ ও কোস্টগার্ডের হাতে তাদের মৃত্যু হচ্ছে। এগুলো তো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তাদের জীবন বাঁচাতে করছে।’
তবে কাউকে যদি আগে থেকেই ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়ে থাকে, সেসব পরিবারের সদস্যদের সরাসরি তার সঙ্গে যোগাযোগের অনুরোধ জানান স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী।
সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনাগুলোকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ‘ আমরা দীর্ঘদিন ক্ষমতার মধ্যে ছিলাম না। তাই অতীতে যতো সাংবাদিক হত্যা, গুম ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে, সাংবাদিকদের সহযোগিতা নিয়ে সেগুলোরও বিচার করা হবে।’
সাংবাদিক নির্যাতনে বা সরকারের সঙ্গে সাংবাদিকদের দূরত্ব সৃষ্টিতে পুলিশের প্রতি কোনো সরকারি নির্দেশনা নেই বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো কোনো অতি উৎসাহী পুলিশ সদস্য সরকারকে বিব্রত করার জন্য এসব ঘটনা স্বপ্রণোদিতভাবে ঘটাতে পারেন। তবে একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব ঘটনার পেছনে সরকারের সঙ্গে সাংবাদিকদের ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টির লক্ষ্যে বাইরের কারো কারসাজি বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
তবে কাউকে যদি আগে থেকেই ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়ে থাকে, সেসব পরিবারের সদস্যদের সরাসরি তার সঙ্গে যোগাযোগের অনুরোধ জানান স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী।
সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনাগুলোকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ‘ আমরা দীর্ঘদিন ক্ষমতার মধ্যে ছিলাম না। তাই অতীতে যতো সাংবাদিক হত্যা, গুম ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে, সাংবাদিকদের সহযোগিতা নিয়ে সেগুলোরও বিচার করা হবে।’
সাংবাদিক নির্যাতনে বা সরকারের সঙ্গে সাংবাদিকদের দূরত্ব সৃষ্টিতে পুলিশের প্রতি কোনো সরকারি নির্দেশনা নেই বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো কোনো অতি উৎসাহী পুলিশ সদস্য সরকারকে বিব্রত করার জন্য এসব ঘটনা স্বপ্রণোদিতভাবে ঘটাতে পারেন। তবে একই সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব ঘটনার পেছনে সরকারের সঙ্গে সাংবাদিকদের ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টির লক্ষ্যে বাইরের কারো কারসাজি বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেড় লাখ পুলিশ সদস্যের মধ্যে কেউ কেউ খারাপ থাকতেই পারেন। কিন্তু যারা খারাপ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্ত্রী তার সূচনা বক্তব্যে অতীতের চেয়ে বর্তমান পরিস্থিতি অনেক ভালো উল্লেখ করে বলেন, ‘আমাদের ভুল হতে পারে। কাজ করতে গেলে ভুল হওয়াটাই স্বাভাবিক। আপনারা আমাদের বাইরে নন। আমরা-আপনারা একই সমাজের অংশ। আমাদের ভুল শুধরিয়ে দিন। পরামর্শ দিন। সেটি হবে আমাদের পথচলার পাথেয়।’
রাষ্ট্র পরিচালনা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়ে অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন আরো বলেন, যখন বিরোধী দলে ছিলাম, তখনও বিভিন্ন সরকারের আমলে রাজপথে আন্দোলন করতে গিয়ে নিগৃহীত হতাম। তখন আপনারাই সেসব ঘটনা সমাজের কাছে তুলে ধরতেন। তখনকার আপনাদের কার্যক্রমের কারণেই আজ আমি এ জায়গায় এসেছি।’
তিনি বিরোধী দলে থাকতে যেভাবে সহযোগিতা করছেন, সরকারে থাকতেও সেভাবেই সহযোগিতা করার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রের উন্নয়নে সুষ্ঠু আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা অত্যন্ত কঠিন। এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের চেষ্টা করেছি।’
বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিদেশি গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা গত ১০ বছরের চেয়ে ভালো, এটা তারই প্রমাণ। এ প্রসঙ্গে তিনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, জঙ্গিবাদ নির্মূল, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা, ১০ ট্রাক অস্ত্র উদ্ধার মামলা ও বিডিআর (বিজিবি) হত্যাকাণ্ডের বিচার, শিল্প পুলিশ প্রতিষ্ঠা, গাড়ি চোর প্রতিরোধ, টেলিফোনে হুমকি ও সাইবার ক্রাইম বিরোধী আইন প্রণয়ন ও কার্যক্রম, নারী-শিশু পাচার রোধসহ গত সাড়ে ৩ বছরে নেওয়া সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং অর্জিত সাফল্যের কথা তুলে ধরেন।
ডিআরইউ’র সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার, ৩১ মে, ২০১২
চুড়ান্ত পর্বে লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০১২
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: বিনোদন
‘লিভ বিউটিফুল বা সৌন্দর্যে বাঁচো’- এ শ্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করা চলতি বছরের লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতা এখন পৌঁছে গেছে চুড়ান্ত পর্বে। ধাঁপের পর ধাঁপ ডিঙিয়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা ২০ সুন্দরীর মধ্যে চলছে এখন লড়াই। আগামী শুক্রবার থেকে চ্যানেল আইতে প্রচার শুরু হচ্ছে চুড়ান্ত পর্বের। টিভি সম্প্রচার শুরুর আগে এবারই প্রথম অনুষ্ঠিত হলো এ ধরনের প্রিমিয়ার শো।
রাজধানীর বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে ৩০ মে বুধবার বিকেলে অনুষ্ঠিত ‘লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০১২’-এর প্রিমিয়ার শো রূপান্তরিত হয়েছিল সুন্দরীদের হাটে। আগের বছরগুলোতে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণকারীরা ছাড়াও এতে উপস্থিত ছিলেন শোবিজের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তারকা।
প্রাথমিক অডিশন ও ন্যাশনাল সিলেকশন রাউন্ড শেষে আগামী শুক্রবার থেকে চ্যানেল আইতে প্রচার শুরু হচ্ছে এই রিয়েলিটি শোর চুড়ান্ত পর্ব। চুড়ান্ত পর্বের প্রচার শুরুর আগে ২০১২ সালের লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার এ পর্যন্ত ধারণকৃত অংশ প্রদর্শণ করা হয় প্রিমিয়ার প্রদর্শনীতে। এর আগে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রতিযোগিতার সঙ্গে সম্পৃক্ত গুণীজনেরা।
মুনমুনের উপস্থাপনায় শুরুতেই প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপট ও ধারাবাহিকতা সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন নাট্যব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নূর। তিনি বলেন, নব্বই দশকে একটি পাক্ষিক পত্রিকার সঙ্গে লাক্স যৌথভাবে প্রথম এ প্রতিযোগিতা শুরু করে। সে সময় প্রতিযোগীদের ছবির ভিত্তিতে লাক্স সুন্দরী নির্বাচন করা হতে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ২০০৫ সালে আধুনিক রিয়েলিটি শোর আঙ্গিকে লাক্সের সাথে এ প্রতিযোগিতায় যুক্ত হয় চ্যানেল। দিন দিন এ আয়োজনের ব্যাপকতা বাড়ছে। আমাদের শোবিজ এরই মাঝে এই ইভেন্ট থেকে পেয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পারফর্মার, আগামী দিনেও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।
আয়োজক ইউনিলিভারের পক্ষে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন লাক্সের ব্রান্ড ম্যানেজার বুশরা ফয়েজ ও চ্যানেল আইয়ের পক্ষে মার্কেটিং ম্যানেজার ঈশিতা। তারা দুজনই এবারের আয়োজন আকর্ষণীয় করে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০১২-এর চুড়ান্ত পর্বে বিচারকের দায়িত্বে রয়েছেন খ্যাতিমান ম্যাজিশিয়ন জুয়েল আইচ, নির্মাতা ও অভিনেতা তৌকীর আহমেদ, নির্মাতা ও অভিনেত্রী আফসানা মিমি এবং অভিনেত্রী তারিন।
ম্যাজিশিয়ন জুয়েল আইচ শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, আমার চেয়ে বড় ম্যাজিশিয়ন হলো এই প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়া ২০ প্রতিযোগী। কারণ তাদের প্রত্যেককে ৩০ সেকেন্ড করে সময় দেওয়া হয়েছিল নিজেদের সম্পর্কে বলার জন্য। তারা এতো অল্প সময়ে নিজেদের সম্পর্কে এতো চমৎকার ধারণা দিয়েছেন যে, এটি আমার ম্যাজিকের মতো মনে হয়েছে।
তৌকীর আহমেদ বলেন, আমাদের টিভিমিডিয়ার পরিধি দিন দিন বাড়ছে। নতুন নতুন চ্যানেল আসছে। প্রয়োজন পড়ছে অনেক অনুষ্ঠানের, অনেক নাটকের। লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ইভেন্ট প্রতি বছর নতুন নতুন মেধাবী মুখ আমাদের মিডিয়ায় যুক্ত করে শিল্পী সংকট কাটাতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।
অভিনেত্রী তারিন বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে গেছে সৌন্দর্যের সংজ্ঞা। রূপের পাশাপাশি গুণও এখন সমান গুরুত্বপূর্ণ। রূপে ও গুণে নিজেদের প্রমাণ করেই এবারের লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্বে উঠে এসেছে ২০ প্রতিযোগী। এদের মধ্য থেকে সেরা নির্বাচন করার কাজটি সত্যিই কঠিন।
প্রতিযোগিতার অপর বিচারক আফসানা মিমি তার পেশাগত ব্যস্ততার কারণে প্রিমিয়ার প্রদর্শনীতে উপস্থিত থাকতে পারেন নি।
এবারের লাক্স চ্যানেল আই সুপার স্টারের চুড়ান্ত পর্বের অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন তরুণ নির্মাতা মাসুদ হাসান উজ্জ্বল। প্রিমিয়ার প্রদর্শনীতে শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি বলেন, এ ধরণের রিয়েলিটি শোতে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার এই প্রথম। নাটক নির্মাণের অভিজ্ঞতা থেকেই আমি এখানে এসেছি। চেষ্টা করছি ফিকশনের আমেজ ছাড়িয়ে দর্শকদের নতুন কিছু উপহার দেওয়ার। এবার অনুষ্ঠান ধারণ করা হচ্ছে এইচডি ফরম্যাটে। আমার জানামতে, বাংলাদেশে এতো বিশাল আয়োতনের একটি রিয়েলিটি শো এই প্রথম এইচডিতে ধারণ করা হচ্ছে। দর্শকদের ভালো লাগলেই আমাদের প্রচেষ্টা সার্থক হবে।
উল্লেখ্য, লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ইভেন্টের ২০০৫ সালের প্রথম আয়োজন বিজয়ীর হন শানারৈ দেবী শানু। ২০০৬ সালের সুপারস্টার খেতাব বিজয়ী হন জাকিয়া বারী মম। ২০০৭ সালে সুপারস্টার খেতাব জিতেন বিদ্যা সিনহা মিম। ২০০৮ সালে বিজয়ী হন চৈতি। ২০০৯ সালে মেহজাবিন ও ২০১০ সালের শিরোপা জিতে নেন রাখি। ৭ম বারের মত এবারের আয়োজনেও বেরিয়ে আসবে ২০১২ সালের লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টারের সেরা সুন্দরী।
খেতাব বিজয়ীর পাশাপাশি এ ইভেন্ট থেকে বেরিয়ে আসা অনেক প্রতিযোগীই মিডিয়াতে নিজেদের স্থান করে নিয়েছেন। যাদের মধ্যে ঝলমলে ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছেন বিন্দু, বাঁধন, মুনমুন, রাহা, আলভী, ফারিয়া, সূচনা, আমব্রিন, জয়া, উর্মি, রাহি, ইশানা, অর্ষাসহ আরও অনেকে।
প্রতিবারের মতো এবারও লাক্স-চ্যানেল আই সুপার স্টার বিজয়ী পাবেন একটি ব্র্যান্ড নিউ গাড়ি। প্রথম রানার আপ পাবেন নগদ ৫ লাখ টাকা। দ্বিতীয় রানার আপ পাবেন ৩ লাখ টাকা। চতুর্থ থেকে ১০ম বিজয়ীদের দেয়া হবে নগদ ১ লাখ টাকা। এ ছাড়া থাকছে অভিনয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষাবৃত্তি ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী।
প্রিমিয়ার শোতে এবারের ধারণকৃত কয়েকটি পর্বের পাশাপাশি আগের আয়োজনগুলোর কিছু ফুটেজ প্রদর্শন করা হয়। চ্যানেল আইতে এই রিয়েলিটি শো দেখানো হবে প্রতি শুক্র ও সোম রাত সাড়ে আটটায়।
‘লিভ বিউটিফুল বা সৌন্দর্যে বাঁচো’- এ শ্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করা চলতি বছরের লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতা এখন পৌঁছে গেছে চুড়ান্ত পর্বে। ধাঁপের পর ধাঁপ ডিঙিয়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা ২০ সুন্দরীর মধ্যে চলছে এখন লড়াই। আগামী শুক্রবার থেকে চ্যানেল আইতে প্রচার শুরু হচ্ছে চুড়ান্ত পর্বের। টিভি সম্প্রচার শুরুর আগে এবারই প্রথম অনুষ্ঠিত হলো এ ধরনের প্রিমিয়ার শো।
রাজধানীর বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে ৩০ মে বুধবার বিকেলে অনুষ্ঠিত ‘লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০১২’-এর প্রিমিয়ার শো রূপান্তরিত হয়েছিল সুন্দরীদের হাটে। আগের বছরগুলোতে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণকারীরা ছাড়াও এতে উপস্থিত ছিলেন শোবিজের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তারকা।
প্রাথমিক অডিশন ও ন্যাশনাল সিলেকশন রাউন্ড শেষে আগামী শুক্রবার থেকে চ্যানেল আইতে প্রচার শুরু হচ্ছে এই রিয়েলিটি শোর চুড়ান্ত পর্ব। চুড়ান্ত পর্বের প্রচার শুরুর আগে ২০১২ সালের লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার এ পর্যন্ত ধারণকৃত অংশ প্রদর্শণ করা হয় প্রিমিয়ার প্রদর্শনীতে। এর আগে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রতিযোগিতার সঙ্গে সম্পৃক্ত গুণীজনেরা।
মুনমুনের উপস্থাপনায় শুরুতেই প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপট ও ধারাবাহিকতা সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন নাট্যব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নূর। তিনি বলেন, নব্বই দশকে একটি পাক্ষিক পত্রিকার সঙ্গে লাক্স যৌথভাবে প্রথম এ প্রতিযোগিতা শুরু করে। সে সময় প্রতিযোগীদের ছবির ভিত্তিতে লাক্স সুন্দরী নির্বাচন করা হতে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ২০০৫ সালে আধুনিক রিয়েলিটি শোর আঙ্গিকে লাক্সের সাথে এ প্রতিযোগিতায় যুক্ত হয় চ্যানেল। দিন দিন এ আয়োজনের ব্যাপকতা বাড়ছে। আমাদের শোবিজ এরই মাঝে এই ইভেন্ট থেকে পেয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পারফর্মার, আগামী দিনেও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।
আয়োজক ইউনিলিভারের পক্ষে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন লাক্সের ব্রান্ড ম্যানেজার বুশরা ফয়েজ ও চ্যানেল আইয়ের পক্ষে মার্কেটিং ম্যানেজার ঈশিতা। তারা দুজনই এবারের আয়োজন আকর্ষণীয় করে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০১২-এর চুড়ান্ত পর্বে বিচারকের দায়িত্বে রয়েছেন খ্যাতিমান ম্যাজিশিয়ন জুয়েল আইচ, নির্মাতা ও অভিনেতা তৌকীর আহমেদ, নির্মাতা ও অভিনেত্রী আফসানা মিমি এবং অভিনেত্রী তারিন।
ম্যাজিশিয়ন জুয়েল আইচ শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, আমার চেয়ে বড় ম্যাজিশিয়ন হলো এই প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়া ২০ প্রতিযোগী। কারণ তাদের প্রত্যেককে ৩০ সেকেন্ড করে সময় দেওয়া হয়েছিল নিজেদের সম্পর্কে বলার জন্য। তারা এতো অল্প সময়ে নিজেদের সম্পর্কে এতো চমৎকার ধারণা দিয়েছেন যে, এটি আমার ম্যাজিকের মতো মনে হয়েছে।
তৌকীর আহমেদ বলেন, আমাদের টিভিমিডিয়ার পরিধি দিন দিন বাড়ছে। নতুন নতুন চ্যানেল আসছে। প্রয়োজন পড়ছে অনেক অনুষ্ঠানের, অনেক নাটকের। লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ইভেন্ট প্রতি বছর নতুন নতুন মেধাবী মুখ আমাদের মিডিয়ায় যুক্ত করে শিল্পী সংকট কাটাতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।
অভিনেত্রী তারিন বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে গেছে সৌন্দর্যের সংজ্ঞা। রূপের পাশাপাশি গুণও এখন সমান গুরুত্বপূর্ণ। রূপে ও গুণে নিজেদের প্রমাণ করেই এবারের লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্বে উঠে এসেছে ২০ প্রতিযোগী। এদের মধ্য থেকে সেরা নির্বাচন করার কাজটি সত্যিই কঠিন।
এবারের লাক্স চ্যানেল আই সুপার স্টারের চুড়ান্ত পর্বের অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন তরুণ নির্মাতা মাসুদ হাসান উজ্জ্বল। প্রিমিয়ার প্রদর্শনীতে শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি বলেন, এ ধরণের রিয়েলিটি শোতে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার এই প্রথম। নাটক নির্মাণের অভিজ্ঞতা থেকেই আমি এখানে এসেছি। চেষ্টা করছি ফিকশনের আমেজ ছাড়িয়ে দর্শকদের নতুন কিছু উপহার দেওয়ার। এবার অনুষ্ঠান ধারণ করা হচ্ছে এইচডি ফরম্যাটে। আমার জানামতে, বাংলাদেশে এতো বিশাল আয়োতনের একটি রিয়েলিটি শো এই প্রথম এইচডিতে ধারণ করা হচ্ছে। দর্শকদের ভালো লাগলেই আমাদের প্রচেষ্টা সার্থক হবে।
উল্লেখ্য, লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ইভেন্টের ২০০৫ সালের প্রথম আয়োজন বিজয়ীর হন শানারৈ দেবী শানু। ২০০৬ সালের সুপারস্টার খেতাব বিজয়ী হন জাকিয়া বারী মম। ২০০৭ সালে সুপারস্টার খেতাব জিতেন বিদ্যা সিনহা মিম। ২০০৮ সালে বিজয়ী হন চৈতি। ২০০৯ সালে মেহজাবিন ও ২০১০ সালের শিরোপা জিতে নেন রাখি। ৭ম বারের মত এবারের আয়োজনেও বেরিয়ে আসবে ২০১২ সালের লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টারের সেরা সুন্দরী।
খেতাব বিজয়ীর পাশাপাশি এ ইভেন্ট থেকে বেরিয়ে আসা অনেক প্রতিযোগীই মিডিয়াতে নিজেদের স্থান করে নিয়েছেন। যাদের মধ্যে ঝলমলে ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছেন বিন্দু, বাঁধন, মুনমুন, রাহা, আলভী, ফারিয়া, সূচনা, আমব্রিন, জয়া, উর্মি, রাহি, ইশানা, অর্ষাসহ আরও অনেকে।
প্রতিবারের মতো এবারও লাক্স-চ্যানেল আই সুপার স্টার বিজয়ী পাবেন একটি ব্র্যান্ড নিউ গাড়ি। প্রথম রানার আপ পাবেন নগদ ৫ লাখ টাকা। দ্বিতীয় রানার আপ পাবেন ৩ লাখ টাকা। চতুর্থ থেকে ১০ম বিজয়ীদের দেয়া হবে নগদ ১ লাখ টাকা। এ ছাড়া থাকছে অভিনয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষাবৃত্তি ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী।
প্রিমিয়ার শোতে এবারের ধারণকৃত কয়েকটি পর্বের পাশাপাশি আগের আয়োজনগুলোর কিছু ফুটেজ প্রদর্শন করা হয়। চ্যানেল আইতে এই রিয়েলিটি শো দেখানো হবে প্রতি শুক্র ও সোম রাত সাড়ে আটটায়।
সিআইএ নয় জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার জন্য ডা. শাকিলের কারাদণ্ড!
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: আন্তর্জাতীক
ওসামা বিন লাদেনকে ধরতে সিআইএ’কে সহায়তা করা নয় বরং জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার কারণে ডা. শাকিল আফ্রিদিকে কারাদণ্ড দিয়েছে পাকিস্তানের আদালত। আদালতের রায়ের নথির উদ্ধৃতি দিয়ে একজন কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন।
গত সপ্তাহে খাইবার উপজাতীয় এলাকার একটি আদালত ডা. শাকিলকে ৩৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়।
সেময় পাকিস্তানি কর্মকর্তারা আন্তর্জাতিক এবং দেশীয় গণমাধ্যমকে জানায়, বিদেশি গোয়েন্দা বাহিনীকে সহায়তা করে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতা করার অভিযোগে ডা. শাকিলের এ দণ্ড।
কিন্তু গত বুধবার বিচারের রায়ের নথি গণমাধ্যমে প্রকাশ পেলে দেখা যায়, নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-ইসলামের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখার অভিযোগে শাকিলকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ের কপিতে সিআইএ’র প্রতি কোনো ইঙ্গিতও করা হয়নি।
এখন এ বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন উঠছে। ড. শাকিলের ব্যাপারে পাকিস্তান, না কি যুক্তরাষ্ট্রই বাড়িয়ে বলল- এ প্রশ্নই এখন ঘুরে ফিরে আসছে।
তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কের এ সঙ্কট মূহূর্তে পাকিস্তান সরকার হয়ত মার্কিন বিরোধী জনগণকে দেখাতে চাচ্ছে- মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাকে সহযোগিতা করা সরকার কোনোভাবেই সহ্য করবে না।
গত সপ্তাহে খাইবার উপজাতীয় এলাকার একটি আদালত ডা. শাকিলকে ৩৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়।
সেময় পাকিস্তানি কর্মকর্তারা আন্তর্জাতিক এবং দেশীয় গণমাধ্যমকে জানায়, বিদেশি গোয়েন্দা বাহিনীকে সহায়তা করে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতা করার অভিযোগে ডা. শাকিলের এ দণ্ড।
কিন্তু গত বুধবার বিচারের রায়ের নথি গণমাধ্যমে প্রকাশ পেলে দেখা যায়, নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-ইসলামের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখার অভিযোগে শাকিলকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ের কপিতে সিআইএ’র প্রতি কোনো ইঙ্গিতও করা হয়নি।
এখন এ বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন উঠছে। ড. শাকিলের ব্যাপারে পাকিস্তান, না কি যুক্তরাষ্ট্রই বাড়িয়ে বলল- এ প্রশ্নই এখন ঘুরে ফিরে আসছে।
তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কের এ সঙ্কট মূহূর্তে পাকিস্তান সরকার হয়ত মার্কিন বিরোধী জনগণকে দেখাতে চাচ্ছে- মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাকে সহযোগিতা করা সরকার কোনোভাবেই সহ্য করবে না।
রাশিয়ার নীতি সিরিয়াকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে: হিলারি
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: আন্তর্জাতীক
ঢাকা: সিরিয়ার চলমান সঙ্কটকে আরো গভীর করে তোলার জন্য রাশিয়ার কঠোর সমালোচনা করলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। তিনি বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বক্তব্যে সিরিয়ার পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে করার জন্য রাশিয়াকে অভিযুক্ত করে বলেছেন বাশার আসাদকে সমর্থন দেওয়ার তাদের(রাশিয়া) নীতি সিরিয়াকে একটি সর্বাত্মক গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
গত সপ্তাহের হুলা হত্যাকাণ্ডের পর সিরিয়ার বিরুদ্ধে জাতিসংঘের প্রস্তাবিত কঠোর পদক্ষেপের বিরুদ্ধে রাশিয়া ও চীন অবস্থান নেওয়ার পরপরই হিলারি ক্লিনটন এ মন্তব্য করলেন।
এদিকে জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন বৃহস্পতিবার আবারও সর্তক করে দিয়ে বলেছেন সিরিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি দেশটিকে একটি ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার সিরিয়ার হুলা গ্রামে সংঘটিত গণহত্যার প্রেক্ষিতে তিনি এ হুশিঁয়ারি উচ্চারণ করেন।
সিরিয়ার বেসামরিক জনগণের ওপর সরকারি বাহিনীর অব্যাহত হামলার মুখে দেশটির সরকার বিরোধী যোদ্ধারা কফি আনানের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে। তারা সর্তক করে দিয়ে বলেছে অবিলম্বে সিরীয় বাহিনী তাদের ব্যারাকে ফিরে না গেলে তারা যুদ্ধবিরতি থেকে বেরিয়ে আসবে।
এ প্রসঙ্গে বিরোধী যোদ্ধাদের নেতা কর্নেল কাসিম সাদ্দাদিন বলেন যদি সিরীয় বাহিনী শুক্রবারের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবিত শর্ত মোতাবেক বেসামরিক এলাকা থেকে সরে না যায় তবে তারাও আর এই চুক্তির প্রতি বাধ্য থাকবে না।
ডেনমার্ক সফরে থাকা হিলারি ক্লিনটন বৃহস্পতিবার বলেন,‘সিরিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপের পটভূমি দিন দিনই শক্তিশালী হচ্ছে। রাশিয়ানরা আমাকে বলেছে তারা সেখানে(সিরিয়া) গৃহযুদ্ধ দেখতে চায় না। কিন্তু আমি তাদের বলেছি আপনাদের নীতি গৃহযুদ্ধের আশঙ্কাকেই জোরদার করছে।’ ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে এক বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
অপরদিকে তুরস্কে এক সম্মেলনে অংশ নেওয়া জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন সিরিয়ার ক্ষমতাসীনদের কার্যক্রমে ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন,‘ শুধুমাত্র নিরপরাধ মানুষের হত্যাকাণ্ড প্রত্যক্ষ করার জন্য সিরিয়ায় জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকদের পাঠানো হয়নি।’
তিনি এ সময় বলেন,‘ ধারাবাহিকভাবে নিরপরাধ মানুষের হত্যাকাণ্ড সিরিয়াকে এমন একটি ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে যার ক্ষত কখনও শুকোবে না।’ এদিকে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা বলেছে সিরিয়ার গত শুক্রবারের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তারা একটি বিশেষ তদন্ত পরিচালনা করবে।
এ পর্যন্ত সিরিয়ার সরকার বিরোধী আন্দোলনে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। গত বছরের মার্চে দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের একনায়কতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে জনগণ।
গত সপ্তাহের হুলা হত্যাকাণ্ডের পর সিরিয়ার বিরুদ্ধে জাতিসংঘের প্রস্তাবিত কঠোর পদক্ষেপের বিরুদ্ধে রাশিয়া ও চীন অবস্থান নেওয়ার পরপরই হিলারি ক্লিনটন এ মন্তব্য করলেন।
এদিকে জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন বৃহস্পতিবার আবারও সর্তক করে দিয়ে বলেছেন সিরিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি দেশটিকে একটি ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার সিরিয়ার হুলা গ্রামে সংঘটিত গণহত্যার প্রেক্ষিতে তিনি এ হুশিঁয়ারি উচ্চারণ করেন।
সিরিয়ার বেসামরিক জনগণের ওপর সরকারি বাহিনীর অব্যাহত হামলার মুখে দেশটির সরকার বিরোধী যোদ্ধারা কফি আনানের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে। তারা সর্তক করে দিয়ে বলেছে অবিলম্বে সিরীয় বাহিনী তাদের ব্যারাকে ফিরে না গেলে তারা যুদ্ধবিরতি থেকে বেরিয়ে আসবে।
এ প্রসঙ্গে বিরোধী যোদ্ধাদের নেতা কর্নেল কাসিম সাদ্দাদিন বলেন যদি সিরীয় বাহিনী শুক্রবারের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবিত শর্ত মোতাবেক বেসামরিক এলাকা থেকে সরে না যায় তবে তারাও আর এই চুক্তির প্রতি বাধ্য থাকবে না।
ডেনমার্ক সফরে থাকা হিলারি ক্লিনটন বৃহস্পতিবার বলেন,‘সিরিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপের পটভূমি দিন দিনই শক্তিশালী হচ্ছে। রাশিয়ানরা আমাকে বলেছে তারা সেখানে(সিরিয়া) গৃহযুদ্ধ দেখতে চায় না। কিন্তু আমি তাদের বলেছি আপনাদের নীতি গৃহযুদ্ধের আশঙ্কাকেই জোরদার করছে।’ ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে এক বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
অপরদিকে তুরস্কে এক সম্মেলনে অংশ নেওয়া জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন সিরিয়ার ক্ষমতাসীনদের কার্যক্রমে ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন,‘ শুধুমাত্র নিরপরাধ মানুষের হত্যাকাণ্ড প্রত্যক্ষ করার জন্য সিরিয়ায় জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকদের পাঠানো হয়নি।’
তিনি এ সময় বলেন,‘ ধারাবাহিকভাবে নিরপরাধ মানুষের হত্যাকাণ্ড সিরিয়াকে এমন একটি ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে যার ক্ষত কখনও শুকোবে না।’ এদিকে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা বলেছে সিরিয়ার গত শুক্রবারের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তারা একটি বিশেষ তদন্ত পরিচালনা করবে।
এ পর্যন্ত সিরিয়ার সরকার বিরোধী আন্দোলনে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। গত বছরের মার্চে দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের একনায়কতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে জনগণ।
রাশিয়ার নীতি সিরিয়াকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে: হিলারি
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: আন্তর্জাতীক
ঢাকা: সিরিয়ার চলমান সঙ্কটকে আরো গভীর করে তোলার জন্য রাশিয়ার কঠোর সমালোচনা করলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। তিনি বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বক্তব্যে সিরিয়ার পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে করার জন্য রাশিয়াকে অভিযুক্ত করে বলেছেন বাশার আসাদকে সমর্থন দেওয়ার তাদের(রাশিয়া) নীতি সিরিয়াকে একটি সর্বাত্মক গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
গত সপ্তাহের হুলা হত্যাকাণ্ডের পর সিরিয়ার বিরুদ্ধে জাতিসংঘের প্রস্তাবিত কঠোর পদক্ষেপের বিরুদ্ধে রাশিয়া ও চীন অবস্থান নেওয়ার পরপরই হিলারি ক্লিনটন এ মন্তব্য করলেন।
এদিকে জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন বৃহস্পতিবার আবারও সর্তক করে দিয়ে বলেছেন সিরিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি দেশটিকে একটি ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার সিরিয়ার হুলা গ্রামে সংঘটিত গণহত্যার প্রেক্ষিতে তিনি এ হুশিঁয়ারি উচ্চারণ করেন।
সিরিয়ার বেসামরিক জনগণের ওপর সরকারি বাহিনীর অব্যাহত হামলার মুখে দেশটির সরকার বিরোধী যোদ্ধারা কফি আনানের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে। তারা সর্তক করে দিয়ে বলেছে অবিলম্বে সিরীয় বাহিনী তাদের ব্যারাকে ফিরে না গেলে তারা যুদ্ধবিরতি থেকে বেরিয়ে আসবে।
এ প্রসঙ্গে বিরোধী যোদ্ধাদের নেতা কর্নেল কাসিম সাদ্দাদিন বলেন যদি সিরীয় বাহিনী শুক্রবারের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবিত শর্ত মোতাবেক বেসামরিক এলাকা থেকে সরে না যায় তবে তারাও আর এই চুক্তির প্রতি বাধ্য থাকবে না।
ডেনমার্ক সফরে থাকা হিলারি ক্লিনটন বৃহস্পতিবার বলেন,‘সিরিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপের পটভূমি দিন দিনই শক্তিশালী হচ্ছে। রাশিয়ানরা আমাকে বলেছে তারা সেখানে(সিরিয়া) গৃহযুদ্ধ দেখতে চায় না। কিন্তু আমি তাদের বলেছি আপনাদের নীতি গৃহযুদ্ধের আশঙ্কাকেই জোরদার করছে।’ ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে এক বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
অপরদিকে তুরস্কে এক সম্মেলনে অংশ নেওয়া জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন সিরিয়ার ক্ষমতাসীনদের কার্যক্রমে ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন,‘ শুধুমাত্র নিরপরাধ মানুষের হত্যাকাণ্ড প্রত্যক্ষ করার জন্য সিরিয়ায় জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকদের পাঠানো হয়নি।’
তিনি এ সময় বলেন,‘ ধারাবাহিকভাবে নিরপরাধ মানুষের হত্যাকাণ্ড সিরিয়াকে এমন একটি ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে যার ক্ষত কখনও শুকোবে না।’ এদিকে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা বলেছে সিরিয়ার গত শুক্রবারের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তারা একটি বিশেষ তদন্ত পরিচালনা করবে।
এ পর্যন্ত সিরিয়ার সরকার বিরোধী আন্দোলনে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। গত বছরের মার্চে দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের একনায়কতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে জনগণ।
গত সপ্তাহের হুলা হত্যাকাণ্ডের পর সিরিয়ার বিরুদ্ধে জাতিসংঘের প্রস্তাবিত কঠোর পদক্ষেপের বিরুদ্ধে রাশিয়া ও চীন অবস্থান নেওয়ার পরপরই হিলারি ক্লিনটন এ মন্তব্য করলেন।
এদিকে জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন বৃহস্পতিবার আবারও সর্তক করে দিয়ে বলেছেন সিরিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি দেশটিকে একটি ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার সিরিয়ার হুলা গ্রামে সংঘটিত গণহত্যার প্রেক্ষিতে তিনি এ হুশিঁয়ারি উচ্চারণ করেন।
সিরিয়ার বেসামরিক জনগণের ওপর সরকারি বাহিনীর অব্যাহত হামলার মুখে দেশটির সরকার বিরোধী যোদ্ধারা কফি আনানের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে। তারা সর্তক করে দিয়ে বলেছে অবিলম্বে সিরীয় বাহিনী তাদের ব্যারাকে ফিরে না গেলে তারা যুদ্ধবিরতি থেকে বেরিয়ে আসবে।
এ প্রসঙ্গে বিরোধী যোদ্ধাদের নেতা কর্নেল কাসিম সাদ্দাদিন বলেন যদি সিরীয় বাহিনী শুক্রবারের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবিত শর্ত মোতাবেক বেসামরিক এলাকা থেকে সরে না যায় তবে তারাও আর এই চুক্তির প্রতি বাধ্য থাকবে না।
ডেনমার্ক সফরে থাকা হিলারি ক্লিনটন বৃহস্পতিবার বলেন,‘সিরিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপের পটভূমি দিন দিনই শক্তিশালী হচ্ছে। রাশিয়ানরা আমাকে বলেছে তারা সেখানে(সিরিয়া) গৃহযুদ্ধ দেখতে চায় না। কিন্তু আমি তাদের বলেছি আপনাদের নীতি গৃহযুদ্ধের আশঙ্কাকেই জোরদার করছে।’ ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে এক বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
অপরদিকে তুরস্কে এক সম্মেলনে অংশ নেওয়া জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন সিরিয়ার ক্ষমতাসীনদের কার্যক্রমে ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন,‘ শুধুমাত্র নিরপরাধ মানুষের হত্যাকাণ্ড প্রত্যক্ষ করার জন্য সিরিয়ায় জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকদের পাঠানো হয়নি।’
তিনি এ সময় বলেন,‘ ধারাবাহিকভাবে নিরপরাধ মানুষের হত্যাকাণ্ড সিরিয়াকে এমন একটি ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে যার ক্ষত কখনও শুকোবে না।’ এদিকে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা বলেছে সিরিয়ার গত শুক্রবারের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তারা একটি বিশেষ তদন্ত পরিচালনা করবে।
এ পর্যন্ত সিরিয়ার সরকার বিরোধী আন্দোলনে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। গত বছরের মার্চে দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের একনায়কতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে জনগণ।
বিশ্বের অর্ধেক মানুষের কাছে ইন্টারনেট!
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: প্রযুক্তি
বিশ্বের অর্ধেক মানুষের কাছে ইন্টারনেট!
বিশ্বের এখন সবচেয়ে দ্রতগতিতে বাড়ছে ইন্টারনেট ভক্ত। একে বিশ্লেষকেরা ইন্টারনেট ‘বুম’ বলে অভিহিতি করছেন। এ মুহূর্তে খুদে মোবাইল ইন্টারনেট পণ্য এবং ট্যাবলেট কমপিউটারের প্রভাবে আগামী ২০১৬ সালের মধ্যে ইন্টারনেট ট্রাফিকও হবে চারগুণ। সিসকো পরিচালিত গবেষণা ইনডেক্স এ তথ্য দিয়েছে। সংবাদমাধ্যম সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
দ্য সিসকো ভিজ্যুয়াল নেটওয়ার্কিং ইনডেক্স সূত্র মতে, আগামী ২০১৬ সালের মধ্যে ইন্টারনেট ট্রাফিক ১.৩ জেটাবাইটস ব্যান্ডউইথড ছাড়িয়ে যাবে। এখানে ১ জেটাবাইটস (১ ট্রিলিয়ন গিগাবাইটস)। ২০১১ সালে ইন্টারনেট ট্রাফিকের তুলনায় ২০১৬ সালে এটি হবে চারগুণ। সিসকো গবেষণামাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। এ কারণ ভবিষ্যতে বহনযোগ্য পণ্য, স্মার্টফোন এবং অন্য সব ডিজিটাল পণ্যগুলোতে ইন্টারনেটের ব্যবহার নিশ্চিত হবে। তখন ইন্টারনেট বিস্ফোরণের মতো সারা বিশ্বে ছড়িয়ে যাবে। এ প্রসঙ্গে সিসকো সহ-সভাপতি সুরাজ শেঠি জানান, আমাদের জীবনগতি প্রতিমুহূর্তে বদলে যাচ্ছে। এর সবচেয়ে বড় নিয়ামক ইন্টারনেট। অনলাইন নেটওয়ার্কে মাল্টিপল পণ্যের সুবাদে ভবিষ্যতে ইন্টারনেট হয়ে উঠবে অবিচ্ছেদ্য অংশ। আর এরই প্রভাব পড়বে ইন্টারনেট বিশ্বে। ভবিষ্যতের ইন্টারনেট বিশ্বে ভিডিও ফোনকল, ট্যাবলেট পণ্যেয় চলচ্চিত্র, ওয়েবনির্ভর টিভি এবং ডেস্কটপ ভিডিও কনফারেন্সিং ব্যাপক চাহিদা তৈরি করবে। এর প্রভাবে বিপুল পরিমাণ (জেটাবাইটস) ইন্টারনেট ট্রাফিক (ব্যান্ডউইথড) প্রয়োজন হবে। নাটকীয় পরিবর্তনে এ মুহূর্তে তুলনায় ইন্টারনেট ট্রাফিকের চাহিদা চারগুণ বাড়বে। ২০১৬ সাল নাগাদ আলাদাভাবে ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক ১ হাজার ৮৯০ কোটি সংযোগ ছাড়িয়ে যাবে। তখন প্রতিজনের জন্য গড়ে ২.৫টি ইন্টারনেট সংযোগ থাকবে। ২০১১ সালের হিসাবে এ সংখ্যা ১ হাজার ৩০ কোটি। ২০১৬ সালে শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই ৩৪০ কোটি সংযোগের ইন্টারনেট গ্রাহক তৈরি হবে। এটি বিশ্বজনসংখ্যার ৪৫ ভাগ মানুষকে ইন্টারনেট নেটওয়ার্কভুক্ত করবে। এ মুহূর্তে ২০১১ সালের হিসাবে জনপ্রতি গড়ে ৯ মেগাবিটস পার সেকেন্ড (এমবিপিএস) ইন্টারনেট সুবিধা উপভোগ করে। কিন্তু ২০১৬ সালে তা বেড়ে হবে ৩৪ এমবিপিএস। এ ছাড়াও ২০১৬ সাল নাগাদ বিশ্ব ইন্টারনেট ট্রাফিকের নেপথ্যে থাকবে ওয়াইফাই সংযোগ। সিসকো পরিচালিত গবেষণা মাধ্যম এসব তথ্যই নিশ্চিত করেছে। এ অর্থে ২০১৬ সালে বিশ্বের অর্ধেক মানুষ ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত হবে। আর গড় ইন্টারনেট ট্রাফিকের ব্র্যান্ডউইথড চারগুণে পৌঁছবে। আর বিশ্ব গিগাবাইটের হিসাব ছাড়িয়ে পৌঁছে যাবে জেটাবাইটের সুবিশাল ভুবনে। |
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: আন্তর্জাতীক
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: আন্তর্জাতীক
রাশিয়ার নীতি সিরিয়াকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে: হিলারি
সিরিয়ার চলমান সঙ্কটকে আরো গভীর করে তোলার জন্য রাশিয়ার কঠোর সমালোচনা করলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। তিনি বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বক্তব্যে সিরিয়ার পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে করার জন্য রাশিয়াকে অভিযুক্ত করে বলেছেন বাশার আসাদকে সমর্থন দেওয়ার তাদের(রাশিয়া) নীতি সিরিয়াকে একটি সর্বাত্মক গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
গত সপ্তাহের হুলা হত্যাকাণ্ডের পর সিরিয়ার বিরুদ্ধে জাতিসংঘের প্রস্তাবিত কঠোর পদক্ষেপের বিরুদ্ধে রাশিয়া ও চীন অবস্থান নেওয়ার পরপরই হিলারি ক্লিনটন এ মন্তব্য করলেন।
এদিকে জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন বৃহস্পতিবার আবারও সর্তক করে দিয়ে বলেছেন সিরিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি দেশটিকে একটি ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার সিরিয়ার হুলা গ্রামে সংঘটিত গণহত্যার প্রেক্ষিতে তিনি এ হুশিঁয়ারি উচ্চারণ করেন।
সিরিয়ার বেসামরিক জনগণের ওপর সরকারি বাহিনীর অব্যাহত হামলার মুখে দেশটির সরকার বিরোধী যোদ্ধারা কফি আনানের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে। তারা সর্তক করে দিয়ে বলেছে অবিলম্বে সিরীয় বাহিনী তাদের ব্যারাকে ফিরে না গেলে তারা যুদ্ধবিরতি থেকে বেরিয়ে আসবে।
এ প্রসঙ্গে বিরোধী যোদ্ধাদের নেতা কর্নেল কাসিম সাদ্দাদিন বলেন যদি সিরীয় বাহিনী শুক্রবারের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবিত শর্ত মোতাবেক বেসামরিক এলাকা থেকে সরে না যায় তবে তারাও আর এই চুক্তির প্রতি বাধ্য থাকবে না।
ডেনমার্ক সফরে থাকা হিলারি ক্লিনটন বৃহস্পতিবার বলেন,‘সিরিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপের পটভূমি দিন দিনই শক্তিশালী হচ্ছে। রাশিয়ানরা আমাকে বলেছে তারা সেখানে(সিরিয়া) গৃহযুদ্ধ দেখতে চায় না। কিন্তু আমি তাদের বলেছি আপনাদের নীতি গৃহযুদ্ধের আশঙ্কাকেই জোরদার করছে।’ ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে এক বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
অপরদিকে তুরস্কে এক সম্মেলনে অংশ নেওয়া জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন সিরিয়ার ক্ষমতাসীনদের কার্যক্রমে ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন,‘ শুধুমাত্র নিরপরাধ মানুষের হত্যাকাণ্ড প্রত্যক্ষ করার জন্য সিরিয়ায় জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকদের পাঠানো হয়নি।’
তিনি এ সময় বলেন,‘ ধারাবাহিকভাবে নিরপরাধ মানুষের হত্যাকাণ্ড সিরিয়াকে এমন একটি ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে যার ক্ষত কখনও শুকোবে না।’ এদিকে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা বলেছে সিরিয়ার গত শুক্রবারের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তারা একটি বিশেষ তদন্ত পরিচালনা করবে।
এ পর্যন্ত সিরিয়ার সরকার বিরোধী আন্দোলনে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। গত বছরের মার্চে দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের একনায়কতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে জনগণ।
গত সপ্তাহের হুলা হত্যাকাণ্ডের পর সিরিয়ার বিরুদ্ধে জাতিসংঘের প্রস্তাবিত কঠোর পদক্ষেপের বিরুদ্ধে রাশিয়া ও চীন অবস্থান নেওয়ার পরপরই হিলারি ক্লিনটন এ মন্তব্য করলেন।
এদিকে জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন বৃহস্পতিবার আবারও সর্তক করে দিয়ে বলেছেন সিরিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি দেশটিকে একটি ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার সিরিয়ার হুলা গ্রামে সংঘটিত গণহত্যার প্রেক্ষিতে তিনি এ হুশিঁয়ারি উচ্চারণ করেন।
সিরিয়ার বেসামরিক জনগণের ওপর সরকারি বাহিনীর অব্যাহত হামলার মুখে দেশটির সরকার বিরোধী যোদ্ধারা কফি আনানের প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে। তারা সর্তক করে দিয়ে বলেছে অবিলম্বে সিরীয় বাহিনী তাদের ব্যারাকে ফিরে না গেলে তারা যুদ্ধবিরতি থেকে বেরিয়ে আসবে।
এ প্রসঙ্গে বিরোধী যোদ্ধাদের নেতা কর্নেল কাসিম সাদ্দাদিন বলেন যদি সিরীয় বাহিনী শুক্রবারের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবিত শর্ত মোতাবেক বেসামরিক এলাকা থেকে সরে না যায় তবে তারাও আর এই চুক্তির প্রতি বাধ্য থাকবে না।
ডেনমার্ক সফরে থাকা হিলারি ক্লিনটন বৃহস্পতিবার বলেন,‘সিরিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপের পটভূমি দিন দিনই শক্তিশালী হচ্ছে। রাশিয়ানরা আমাকে বলেছে তারা সেখানে(সিরিয়া) গৃহযুদ্ধ দেখতে চায় না। কিন্তু আমি তাদের বলেছি আপনাদের নীতি গৃহযুদ্ধের আশঙ্কাকেই জোরদার করছে।’ ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে এক বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
অপরদিকে তুরস্কে এক সম্মেলনে অংশ নেওয়া জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন সিরিয়ার ক্ষমতাসীনদের কার্যক্রমে ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন,‘ শুধুমাত্র নিরপরাধ মানুষের হত্যাকাণ্ড প্রত্যক্ষ করার জন্য সিরিয়ায় জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকদের পাঠানো হয়নি।’
তিনি এ সময় বলেন,‘ ধারাবাহিকভাবে নিরপরাধ মানুষের হত্যাকাণ্ড সিরিয়াকে এমন একটি ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাচ্ছে যার ক্ষত কখনও শুকোবে না।’ এদিকে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা বলেছে সিরিয়ার গত শুক্রবারের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তারা একটি বিশেষ তদন্ত পরিচালনা করবে।
এ পর্যন্ত সিরিয়ার সরকার বিরোধী আন্দোলনে প্রায় ১৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। গত বছরের মার্চে দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের একনায়কতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে জনগণ।
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: বিনোদন
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: বিনোদন
চুড়ান্ত পর্বে লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০১২
‘লিভ বিউটিফুল বা সৌন্দর্যে বাঁচো’- এ শ্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করা চলতি বছরের লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতা এখন পৌঁছে গেছে চুড়ান্ত পর্বে। ধাঁপের পর ধাঁপ ডিঙিয়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা ২০ সুন্দরীর মধ্যে চলছে এখন লড়াই। আগামী শুক্রবার থেকে চ্যানেল আইতে প্রচার শুরু হচ্ছে চুড়ান্ত পর্বের। টিভি সম্প্রচার শুরুর আগে এবারই প্রথম অনুষ্ঠিত হলো এ ধরনের প্রিমিয়ার শো।
রাজধানীর বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে ৩০ মে বুধবার বিকেলে অনুষ্ঠিত ‘লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০১২’-এর প্রিমিয়ার শো রূপান্তরিত হয়েছিল সুন্দরীদের হাটে। আগের বছরগুলোতে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণকারীরা ছাড়াও এতে উপস্থিত ছিলেন শোবিজের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তারকা।
প্রাথমিক অডিশন ও ন্যাশনাল সিলেকশন রাউন্ড শেষে আগামী শুক্রবার থেকে চ্যানেল আইতে প্রচার শুরু হচ্ছে এই রিয়েলিটি শোর চুড়ান্ত পর্ব। চুড়ান্ত পর্বের প্রচার শুরুর আগে ২০১২ সালের লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার এ পর্যন্ত ধারণকৃত অংশ প্রদর্শণ করা হয় প্রিমিয়ার প্রদর্শনীতে। এর আগে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রতিযোগিতার সঙ্গে সম্পৃক্ত গুণীজনেরা।
মুনমুনের উপস্থাপনায় শুরুতেই প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপট ও ধারাবাহিকতা সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন নাট্যব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নূর। তিনি বলেন, নব্বই দশকে একটি পাক্ষিক পত্রিকার সঙ্গে লাক্স যৌথভাবে প্রথম এ প্রতিযোগিতা শুরু করে। সে সময় প্রতিযোগীদের ছবির ভিত্তিতে লাক্স সুন্দরী নির্বাচন করা হতে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ২০০৫ সালে আধুনিক রিয়েলিটি শোর আঙ্গিকে লাক্সের সাথে এ প্রতিযোগিতায় যুক্ত হয় চ্যানেল। দিন দিন এ আয়োজনের ব্যাপকতা বাড়ছে। আমাদের শোবিজ এরই মাঝে এই ইভেন্ট থেকে পেয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পারফর্মার, আগামী দিনেও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।
আয়োজক ইউনিলিভারের পক্ষে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন লাক্সের ব্রান্ড ম্যানেজার বুশরা ফয়েজ ও চ্যানেল আইয়ের পক্ষে মার্কেটিং ম্যানেজার ঈশিতা। তারা দুজনই এবারের আয়োজন আকর্ষণীয় করে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০১২-এর চুড়ান্ত পর্বে বিচারকের দায়িত্বে রয়েছেন খ্যাতিমান ম্যাজিশিয়ন জুয়েল আইচ, নির্মাতা ও অভিনেতা তৌকীর আহমেদ, নির্মাতা ও অভিনেত্রী আফসানা মিমি এবং অভিনেত্রী তারিন।
ম্যাজিশিয়ন জুয়েল আইচ শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, আমার চেয়ে বড় ম্যাজিশিয়ন হলো এই প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়া ২০ প্রতিযোগী। কারণ তাদের প্রত্যেককে ৩০ সেকেন্ড করে সময় দেওয়া হয়েছিল নিজেদের সম্পর্কে বলার জন্য। তারা এতো অল্প সময়ে নিজেদের সম্পর্কে এতো চমৎকার ধারণা দিয়েছেন যে, এটি আমার ম্যাজিকের মতো মনে হয়েছে।
তৌকীর আহমেদ বলেন, আমাদের টিভিমিডিয়ার পরিধি দিন দিন বাড়ছে। নতুন নতুন চ্যানেল আসছে। প্রয়োজন পড়ছে অনেক অনুষ্ঠানের, অনেক নাটকের। লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ইভেন্ট প্রতি বছর নতুন নতুন মেধাবী মুখ আমাদের মিডিয়ায় যুক্ত করে শিল্পী সংকট কাটাতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।
অভিনেত্রী তারিন বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে গেছে সৌন্দর্যের সংজ্ঞা। রূপের পাশাপাশি গুণও এখন সমান গুরুত্বপূর্ণ। রূপে ও গুণে নিজেদের প্রমাণ করেই এবারের লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্বে উঠে এসেছে ২০ প্রতিযোগী। এদের মধ্য থেকে সেরা নির্বাচন করার কাজটি সত্যিই কঠিন।
প্রতিযোগিতার অপর বিচারক আফসানা মিমি তার পেশাগত ব্যস্ততার কারণে প্রিমিয়ার প্রদর্শনীতে উপস্থিত থাকতে পারেন নি।
এবারের লাক্স চ্যানেল আই সুপার স্টারের চুড়ান্ত পর্বের অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন তরুণ নির্মাতা মাসুদ হাসান উজ্জ্বল। প্রিমিয়ার প্রদর্শনীতে শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি বলেন, এ ধরণের রিয়েলিটি শোতে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার এই প্রথম। নাটক নির্মাণের অভিজ্ঞতা থেকেই আমি এখানে এসেছি। চেষ্টা করছি ফিকশনের আমেজ ছাড়িয়ে দর্শকদের নতুন কিছু উপহার দেওয়ার। এবার অনুষ্ঠান ধারণ করা হচ্ছে এইচডি ফরম্যাটে। আমার জানামতে, বাংলাদেশে এতো বিশাল আয়োতনের একটি রিয়েলিটি শো এই প্রথম এইচডিতে ধারণ করা হচ্ছে। দর্শকদের ভালো লাগলেই আমাদের প্রচেষ্টা সার্থক হবে।
উল্লেখ্য, লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ইভেন্টের ২০০৫ সালের প্রথম আয়োজন বিজয়ীর হন শানারৈ দেবী শানু। ২০০৬ সালের সুপারস্টার খেতাব বিজয়ী হন জাকিয়া বারী মম। ২০০৭ সালে সুপারস্টার খেতাব জিতেন বিদ্যা সিনহা মিম। ২০০৮ সালে বিজয়ী হন চৈতি। ২০০৯ সালে মেহজাবিন ও ২০১০ সালের শিরোপা জিতে নেন রাখি। ৭ম বারের মত এবারের আয়োজনেও বেরিয়ে আসবে ২০১২ সালের লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টারের সেরা সুন্দরী।
খেতাব বিজয়ীর পাশাপাশি এ ইভেন্ট থেকে বেরিয়ে আসা অনেক প্রতিযোগীই মিডিয়াতে নিজেদের স্থান করে নিয়েছেন। যাদের মধ্যে ঝলমলে ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছেন বিন্দু, বাঁধন, মুনমুন, রাহা, আলভী, ফারিয়া, সূচনা, আমব্রিন, জয়া, উর্মি, রাহি, ইশানা, অর্ষাসহ আরও অনেকে।
প্রতিবারের মতো এবারও লাক্স-চ্যানেল আই সুপার স্টার বিজয়ী পাবেন একটি ব্র্যান্ড নিউ গাড়ি। প্রথম রানার আপ পাবেন নগদ ৫ লাখ টাকা। দ্বিতীয় রানার আপ পাবেন ৩ লাখ টাকা। চতুর্থ থেকে ১০ম বিজয়ীদের দেয়া হবে নগদ ১ লাখ টাকা। এ ছাড়া থাকছে অভিনয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষাবৃত্তি ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী।
প্রিমিয়ার শোতে এবারের ধারণকৃত কয়েকটি পর্বের পাশাপাশি আগের আয়োজনগুলোর কিছু ফুটেজ প্রদর্শন করা হয়। চ্যানেল আইতে এই রিয়েলিটি শো দেখানো হবে প্রতি শুক্র ও সোম রাত সাড়ে আটটায়।
রাজধানীর বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে ৩০ মে বুধবার বিকেলে অনুষ্ঠিত ‘লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০১২’-এর প্রিমিয়ার শো রূপান্তরিত হয়েছিল সুন্দরীদের হাটে। আগের বছরগুলোতে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণকারীরা ছাড়াও এতে উপস্থিত ছিলেন শোবিজের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তারকা।
প্রাথমিক অডিশন ও ন্যাশনাল সিলেকশন রাউন্ড শেষে আগামী শুক্রবার থেকে চ্যানেল আইতে প্রচার শুরু হচ্ছে এই রিয়েলিটি শোর চুড়ান্ত পর্ব। চুড়ান্ত পর্বের প্রচার শুরুর আগে ২০১২ সালের লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার এ পর্যন্ত ধারণকৃত অংশ প্রদর্শণ করা হয় প্রিমিয়ার প্রদর্শনীতে। এর আগে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রতিযোগিতার সঙ্গে সম্পৃক্ত গুণীজনেরা।
মুনমুনের উপস্থাপনায় শুরুতেই প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপট ও ধারাবাহিকতা সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন নাট্যব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নূর। তিনি বলেন, নব্বই দশকে একটি পাক্ষিক পত্রিকার সঙ্গে লাক্স যৌথভাবে প্রথম এ প্রতিযোগিতা শুরু করে। সে সময় প্রতিযোগীদের ছবির ভিত্তিতে লাক্স সুন্দরী নির্বাচন করা হতে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ২০০৫ সালে আধুনিক রিয়েলিটি শোর আঙ্গিকে লাক্সের সাথে এ প্রতিযোগিতায় যুক্ত হয় চ্যানেল। দিন দিন এ আয়োজনের ব্যাপকতা বাড়ছে। আমাদের শোবিজ এরই মাঝে এই ইভেন্ট থেকে পেয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পারফর্মার, আগামী দিনেও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।
আয়োজক ইউনিলিভারের পক্ষে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন লাক্সের ব্রান্ড ম্যানেজার বুশরা ফয়েজ ও চ্যানেল আইয়ের পক্ষে মার্কেটিং ম্যানেজার ঈশিতা। তারা দুজনই এবারের আয়োজন আকর্ষণীয় করে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০১২-এর চুড়ান্ত পর্বে বিচারকের দায়িত্বে রয়েছেন খ্যাতিমান ম্যাজিশিয়ন জুয়েল আইচ, নির্মাতা ও অভিনেতা তৌকীর আহমেদ, নির্মাতা ও অভিনেত্রী আফসানা মিমি এবং অভিনেত্রী তারিন।
ম্যাজিশিয়ন জুয়েল আইচ শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, আমার চেয়ে বড় ম্যাজিশিয়ন হলো এই প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়া ২০ প্রতিযোগী। কারণ তাদের প্রত্যেককে ৩০ সেকেন্ড করে সময় দেওয়া হয়েছিল নিজেদের সম্পর্কে বলার জন্য। তারা এতো অল্প সময়ে নিজেদের সম্পর্কে এতো চমৎকার ধারণা দিয়েছেন যে, এটি আমার ম্যাজিকের মতো মনে হয়েছে।
তৌকীর আহমেদ বলেন, আমাদের টিভিমিডিয়ার পরিধি দিন দিন বাড়ছে। নতুন নতুন চ্যানেল আসছে। প্রয়োজন পড়ছে অনেক অনুষ্ঠানের, অনেক নাটকের। লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ইভেন্ট প্রতি বছর নতুন নতুন মেধাবী মুখ আমাদের মিডিয়ায় যুক্ত করে শিল্পী সংকট কাটাতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।
অভিনেত্রী তারিন বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে গেছে সৌন্দর্যের সংজ্ঞা। রূপের পাশাপাশি গুণও এখন সমান গুরুত্বপূর্ণ। রূপে ও গুণে নিজেদের প্রমাণ করেই এবারের লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত পর্বে উঠে এসেছে ২০ প্রতিযোগী। এদের মধ্য থেকে সেরা নির্বাচন করার কাজটি সত্যিই কঠিন।
এবারের লাক্স চ্যানেল আই সুপার স্টারের চুড়ান্ত পর্বের অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন তরুণ নির্মাতা মাসুদ হাসান উজ্জ্বল। প্রিমিয়ার প্রদর্শনীতে শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি বলেন, এ ধরণের রিয়েলিটি শোতে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার এই প্রথম। নাটক নির্মাণের অভিজ্ঞতা থেকেই আমি এখানে এসেছি। চেষ্টা করছি ফিকশনের আমেজ ছাড়িয়ে দর্শকদের নতুন কিছু উপহার দেওয়ার। এবার অনুষ্ঠান ধারণ করা হচ্ছে এইচডি ফরম্যাটে। আমার জানামতে, বাংলাদেশে এতো বিশাল আয়োতনের একটি রিয়েলিটি শো এই প্রথম এইচডিতে ধারণ করা হচ্ছে। দর্শকদের ভালো লাগলেই আমাদের প্রচেষ্টা সার্থক হবে।
উল্লেখ্য, লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ইভেন্টের ২০০৫ সালের প্রথম আয়োজন বিজয়ীর হন শানারৈ দেবী শানু। ২০০৬ সালের সুপারস্টার খেতাব বিজয়ী হন জাকিয়া বারী মম। ২০০৭ সালে সুপারস্টার খেতাব জিতেন বিদ্যা সিনহা মিম। ২০০৮ সালে বিজয়ী হন চৈতি। ২০০৯ সালে মেহজাবিন ও ২০১০ সালের শিরোপা জিতে নেন রাখি। ৭ম বারের মত এবারের আয়োজনেও বেরিয়ে আসবে ২০১২ সালের লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টারের সেরা সুন্দরী।
খেতাব বিজয়ীর পাশাপাশি এ ইভেন্ট থেকে বেরিয়ে আসা অনেক প্রতিযোগীই মিডিয়াতে নিজেদের স্থান করে নিয়েছেন। যাদের মধ্যে ঝলমলে ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছেন বিন্দু, বাঁধন, মুনমুন, রাহা, আলভী, ফারিয়া, সূচনা, আমব্রিন, জয়া, উর্মি, রাহি, ইশানা, অর্ষাসহ আরও অনেকে।
প্রতিবারের মতো এবারও লাক্স-চ্যানেল আই সুপার স্টার বিজয়ী পাবেন একটি ব্র্যান্ড নিউ গাড়ি। প্রথম রানার আপ পাবেন নগদ ৫ লাখ টাকা। দ্বিতীয় রানার আপ পাবেন ৩ লাখ টাকা। চতুর্থ থেকে ১০ম বিজয়ীদের দেয়া হবে নগদ ১ লাখ টাকা। এ ছাড়া থাকছে অভিনয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষাবৃত্তি ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী।
প্রিমিয়ার শোতে এবারের ধারণকৃত কয়েকটি পর্বের পাশাপাশি আগের আয়োজনগুলোর কিছু ফুটেজ প্রদর্শন করা হয়। চ্যানেল আইতে এই রিয়েলিটি শো দেখানো হবে প্রতি শুক্র ও সোম রাত সাড়ে আটটায়।
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: রাজনীতি
এই মূহুর্তের খবর ও জন দূর্ভোগ ।: রাজনীতি
জবি পরিসংখ্যান বিভাগে পুলিশি হামলার নিন্দা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগে গত বুধবার শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, জবি সংসদ সভাপতি ফারুক আহমেদ আবির ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান ধর্মঘটে পুলিশের এই নগ্ন হামলাই প্রমাণ করে প্রশাসন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের যৌক্তিকতা অস্বীকার করতে না পেরে আন্দোলন দমনে অবৈধ বল প্রয়োগের অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে।
বিবৃতিতে পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফল পূনর্মূল্যায়নের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করা হয়।
তারা অবিলম্বে পুলিশি হামলার ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
তারা অবিলম্বে পুলিশি হামলার ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
‘সরকারের কারণে পুলিশ সাংবাদিকের উপর হামলা করার সাহস পাচ্ছে’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেছেন, ‘সরকার পুলিশকে নিজেদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার কারণে তারা সাংবাদিকদের উপর হামলা করার সাহস পাচ্ছে।’
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে দেশরক্ষা আন্দোলনের এক আলোচনা সভায় দেওয়া প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘দেশ ও গণতন্ত্রের অতন্ত্র প্রহরী সাংবাদিক সমাজ আজ সরকারের রোষাণল থেকে মুক্ত নয়। পুলিশ বাহিনী জনগণের বন্ধু বলা হলেও তাদের জনগণের কাছ থেকে দূরে থাকতে বলা হচ্ছে।’
মানবাধিকার ও আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশ আজ গভীর এক সংকটের মধ্য দিয়ে অন্ধকারের দিকে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ঘোষণা দিয়ে আত্মভোলা এই জাতিকে একটি পরিচয় দিয়েছিলেন। এর মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছিল। তিনি সেনাবাহিনীকে একটি আধুনিক বাহিনীতে রূপান্তর করেছিলেন।’
দেশরক্ষা আন্দোলনের সভাপতি এম সানোয়ারের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন যুবদলের সাবেক সভাপতি বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব বরকতউল্লাহ বুলু, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, নির্বাহী সদস্য সরওয়ার আজম খান, কৃষকদল নেতা শাহজাহান মিয়া সম্রাট প্রমুখ।
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে দেশরক্ষা আন্দোলনের এক আলোচনা সভায় দেওয়া প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘দেশ ও গণতন্ত্রের অতন্ত্র প্রহরী সাংবাদিক সমাজ আজ সরকারের রোষাণল থেকে মুক্ত নয়। পুলিশ বাহিনী জনগণের বন্ধু বলা হলেও তাদের জনগণের কাছ থেকে দূরে থাকতে বলা হচ্ছে।’
মানবাধিকার ও আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশ আজ গভীর এক সংকটের মধ্য দিয়ে অন্ধকারের দিকে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ঘোষণা দিয়ে আত্মভোলা এই জাতিকে একটি পরিচয় দিয়েছিলেন। এর মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছিল। তিনি সেনাবাহিনীকে একটি আধুনিক বাহিনীতে রূপান্তর করেছিলেন।’
দেশরক্ষা আন্দোলনের সভাপতি এম সানোয়ারের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন যুবদলের সাবেক সভাপতি বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব বরকতউল্লাহ বুলু, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, নির্বাহী সদস্য সরওয়ার আজম খান, কৃষকদল নেতা শাহজাহান মিয়া সম্রাট প্রমুখ।
বৃহস্পতিবার, ২৪ মে, ২০১২
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)